রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ছবিতে ‘আবেগের ক্ষুদ্র বহিঃপ্রকাশ’

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:৫৪ এএম

অলিয়ঁস ফ্রঁসেজের লা গ্যালারিতে চলছে চিত্রশিল্পী মো. আবদুল গাফ্ফার বাবুর তৃতীয় একক চিত্র প্রদর্শনী। এর শিরোনাম ‘আবেগের ক্ষুদ্র বহিঃপ্রকাশ’। আবেগকে সংজ্ঞায়িত করা যায় মানব মনস্তত্ত্বের বৌদ্ধিক কাজরূপে অথবা আনন্দ বা অপরিতৃপ্তির বিভিন্ন মাত্রাসম্পন্ন প্রকাশভঙ্গি রূপে। আবেগ জটিল এবং তাই দুরূহ। প্রতিটি মানুষের আবেগানুভূতি তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থাভেদে পরিবর্তিত হয়। কিছু কিছু তত্ত্ব আবেগকে বিভিন্ন উপাদানের লক্ষণ বলে গণ্য করে, যার মধ্যে রয়েছে প্রেরণা, অনুভূতি, আচরণ ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন, কিন্তু আবেগের সংজ্ঞা এত অপরিসীমভাবে বিস্তীর্ণ যে, তাকে কোনো স্পর্শসীমায় চিহ্নিত করা অসম্ভব।

মজার ব্যাপার হলো, আবেগানুভূতির দৃশ্যময় একটি প্রকাশমাধ্যম হলো চিত্রশিল্প, যা সর্বতোভাবে ব্যবহৃত ও সমাদৃত। শিল্পী তার ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন সেই আবেগময় পরিবর্তনগুলো, মানুষ বিভিন্ন আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কষ্টকর যাত্রায়, যা প্রতিনিয়ত অনুভব করে। শিল্পী মো. আবদুল গাফ্ফার বাবু তাদের সেই বিভিন্ন আবেগের মাত্রাগুলোকে তাত্ত্বিক ধারণার সঙ্গে মিশ্রিত করে ফ্রেমবন্দি করার চেষ্টা করেছেন। এসব ‘ফ্রেম’ কোনো না কোনোভাবে আবেগকে তার সংজ্ঞার বহুমাত্রিকতায় তুলে ধরে বলেই শিল্পীর বিশ্বাস।

মো. আবদুল গাফ্ফার বাবু এমএফএ সম্পূর্ণ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ২০০৮ সালে। ছাপচিত্র ছিল তার পড়ার বিষয়। ২০০০-১৬ সাল পর্যন্ত তিনি দেশ-বিদেশে অনেকগুলো দলবদ্ধ চিত্র প্রদর্শনী, কর্মশালা ও রেসিডেন্সিতে অংশ নিয়েছেন। ঢাকার আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে তার প্রথম একক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী হয় ২০১৪ সালে। তিনি জলরং, তেলরং, পেনসিল, অ্যাক্রিলিক, চারকোল, উডকাট, লিথোগ্রাফ, মিশ্র মাধ্যমসহ নানা মাধ্যমে কাজ করেন।

উল্লেখ্য, এই প্রদর্শনীটি শুরু হয়েছে গত ৮ ফেব্রুয়ারি। চলবে চলতি মাসের ২২ তারিখ পর্যন্ত। সোম থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা এবং শুক্র ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীটি খোলা থাকবে। রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত