সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

৩ থেকে ৪০০

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ০৪:২৩ এএম

ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সানজীদা জামান লিজা। তারা ‘হেপাটাইটিস’, ‘থ্যালাসেমিয়া’, দৈব ও মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনা-দুর্বিপাক প্রতিরোধ এবং নারীর উন্নয়নে কাজ করেন। লিখেছেন ওমর শাহেদ। ছবি তুলেছেন মহুবার রহমান 

তাদের ক্লাবের জন্ম ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট, নাম ‘ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ’। প্রতিষ্ঠাতা সানজীদা জামান লিজা, সাবেকুন্নাহার শশী ও আরেফিন রহমান হিমেল। লিজা আর শশী গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ছাত্রী, হিমেল শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পড়েন। তারা সিদ্ধান্ত নিলেন, স্বাস্থ্য অসচেতন তরুণ-তরুণীদের নিয়ে কাজ করবেন। ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিলেন, ‘সমাজ উন্নয়ন’, ‘স্বাস্থ্য সেবা সুবিধা পৌঁছানো-জানানো’ এবং ‘নারীর উন্নয়ন’।

‘হেপাটাইটিস’ নামের সঙ্গে খুব পরিচিত রোগ নিয়ে কাজ করবেন বলে আলাপ করলেন তিন বন্ধু। ‘হেপাটাইটিস এ’ হলে আমাদের জন্ডিস হয়, ‘বি’ হলে ‘লিভার সিরোসিস (লিভারের প্রায় স্থায়ী ও প্রায় ক্ষেত্রেই জীবনবিনাশী রোগ)’, সি হলে ‘লিভার ক্যানসার’-এ মানুষ আক্রান্ত হন। খোলা খাবার, দূষিত পানি খেয়ে এই রোগগুলোতে তরুণ-তরুণীরা বেশি আক্রান্ত হন। তবে অনেকের সঙ্গে আলাপের পর তাদের মনে হলো, সে তথ্য তারা জানেন না। কাজ কিছুদূর কাজ করার পর ‘বাংলাদেশ লিভার হাসপাতাল’ ইয়ুথ ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হলো। তারা একসঙ্গে ‘নো হেপ (হেপাটাইটিসের সংক্ষিপ্ত) নেটওয়ার্ক’ নামের সারা দেশে এই রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে একটি কর্মসূচি পরিচালনা করেন। ২০১৫ সালে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ৫০টির বেশি বিশ^বিদ্যালয়ে ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ গিয়েছে। এ পর্যন্ত পাঁচ থেকে ছয় হাজার ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে তারা লিভার হাসপাতালের সঙ্গে মিলে হেপাটাইটিসের টেস্ট করেছেন। তাতে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষই জানেন না তাদের হেপাটাইটিস রোগের জীবাণু আছে। এরপর তাদের রোগের হাত থেকে বাঁচার জন্য টিকা দিয়েছেন, কর্মশালাও করেছেন। ‘বিজেএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি’তে ২০১৫ সালে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগের সেমিনারে বিদেশ থেকে ৪০ জন বিশেষজ্ঞ যোগ দিয়েছিলেন। ছিলেন নেপাল, মিসর, স্কটল্যান্ড, ব্রিটেন, ইউক্রেনের প্রতিনিধি। এত কাজের সুবাদে লিজা ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে লন্ডনে শিক্ষাসফরের জন্য মনোনীত হলেন। তবে প্যারিসের সেই বোমা হামলা তাকে বিদেশে যেতে দিলো না। তাতে কোনো দুঃখ পাননি তিনি। কারণ তারা মানুষের জন্য কাজ করেছেন, খুব সাড়াও পেয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া-প্যাসিফিকের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী নিজে তার বিশ^বিদ্যালয়ে কাজ করার জন্য তাদের আমন্ত্রণ জানালেন। সেখানে গিয়ে তারা কাজ করলেন। গার্হস্থ অর্থনীতি কলেজের ছাত্রীদের ক্যাম্পাসে হেপাটাইটিস রোগের কারণ ও প্রতিকার নিয়ে পোস্টার প্রদর্শনী করেছেন। গত বছরের ২৮ জুলাই ডেইলি স্টার মিলনায়তনে সেমিনার করেছেন। নো হেপ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা পোস্টার তৈরি করেছেন। ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সেগুলো বোর্ড আকারে তৈরি করে দিয়েছেন। ইয়ুথ ক্লাব চায়, তারা সেগুলো বিশ^বিদ্যালয়ে প্রদর্শন করে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করবেন। এভাবে কাজ করতে করতে সেই তিন জনের দলটি এখন ৪শ জনের বিশাল পরিবার। এ পরিবার প্রতি বছর বার্ষিক বনভোজন করে, নানা স্থানে বেড়ায়। অনেক কাজও করে। ঢাকার বাইরেও তারা নো হেপ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করেছেন। রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজে গিয়েছেন। এ বিষয়ে কাজ এখনো করছেন কেন? লিজা উত্তর দিলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতি ১০ জনের একজন মানুষ হেপাটাইটিস রোগের বাহক। অথচ তারা তা জানেন না।’ এ কাজে তাদের সঙ্গে আছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী। তিনি এই দেশের হেপাটোবিলিয়ারি প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি ও লিভার প্রতিস্থাপন চিকিৎসার পথিকৃৎ। তিনি লিভার হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক। যে বৈজ্ঞানিক সেমিনারগুলো ইয়ুথ ক্লাব করেছে, সেগুলোর অন্তত ৩০টিতে তিনি প্রধান আলোচক ছিলেন। নো হেপ নেটওয়ার্কে এখন বাংলাদেশ স্কেটিং ক্লাব, বাংলাদেশ ক্রিকেট সাপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনও আছে। হেপাটাইটিসের বিষয়ে সচেতনতা ছড়াতে আন্তর্জাতিক হেপাটাইটিস দিবসে তারা ২০১৭ সালে জেলা শহরগুলোতে রোগটি সম্পর্কে স্টিকারে মোড়ানো গাড়ি প্রদর্শনী করেছেন। গাড়ি কুমিল্লা, যশোর ও খুলনায় গিয়েছে। স্কুল-কলেজের প্রধান শিক্ষককে উপহার দিয়েছে হেপাটাইটিস সচেতনতা বোর্ড।

ইয়ুথ ক্লাব ছড়িয়ে দিচ্ছে ‘থ্যালাসেমিয়া’ রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার। শুরু ২০১৪ সালে। তখন শিশু হাসপাতালের থ্যালাসেমিয়া সেন্টারে গিয়েছেন তারা। রক্তবাহিত এই রোগে জন্ম থেকেই আক্রান্ত শিশু দেখেছেন। মা-বাবা দুজনেই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে তাদের সন্তানের এই রোগ নিয়ে জন্ম হয়। তার শরীরে নতুন করে রক্ত উৎপাদনের ক্ষমতা থাকে না। প্রতি মাসে তিন থেকে চারবার রক্ত নিয়ে সে বেঁচে থাকে। তারা দেখেছেন, রোগাক্রান্ত শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর তারা বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালে গেলেন। এ হাসপাতালের পরিচালকদের সন্তানরা এই রোগে আক্রান্ত। এরপর থেকে দুজনে থ্যালাসেমিয়ার বাহক যেন বিয়ে না করেন, সেজন্য কাজে নামল ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ। ঢাকার এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই, যেখানে তারা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে প্রচারাভিযান চালাননি। তাদের সঙ্গে ৩৪ জন থ্যালাসেমিয়া বিশেষজ্ঞ ও ৬০ জন ছেলেমেয়ে কাজ করছেন। ঢাকা ও কুমিল্লায় দুটি দল আছে। বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে তারা এ রোগ সম্পর্কে প্রচার কাজ চালিয়েছেন, বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা (এইচবি ইলেকট্রোফরেসিস) করেছেন। বাহকদের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিনামূল্যে কর্মশালা করেছেন। এত কাজের সুবাদে থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতাল তাদের হাসপাতালের ছয় তলায় ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশকে একটি কক্ষ দিয়েছে। সেখান থেকে তারা সারা দেশে ছড়িয়ে যান। ২০১৭ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিল যে ১শটি দেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেই দেশগুলোর তরুণদের তৈরি সোশ্যাল অ্যাকশন প্রজেক্টগুলোর প্রতিযোগিতা করলেন। তাতে সবচেয়ে বেশি দিন একটি বিষয় নিয়ে কাজের সুবাদে ইয়ুথ ক্লাবের ‘থ্যালাসেমিয়া’ প্রকল্প প্রথম হলো। এ কাজের সুবাদেই তারা প্রথম বাংলাদেশি সংগঠন হিসেবে ‘কমনওয়েলথ পয়েন্টস অব লাইট অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করলেন। এখন ইয়ুথ ক্লাবের ৫০ জন ফ্যাসিলিটেটর (ফ্যাসিলিটেট মানে হলো কোনো কষ্ট লাঘব বা সহজ করা) আছেন। তারা এই রোগটি কী, কেন হয়, কীভাবে রোধ করা যায় সেসব নিয়ে তরুণদের মধ্যে কাজ করেন। যাদের এই রোগের জীবাণু আছে, তারা সাধারণ মানুষের মতোই জীবন কাটান, রক্তদানও করতে পারেন। লিজা বললেন, ‘‘আমরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে থ্যালাসেমিয়া হাসপাতালের সঙ্গে মিলে একটি অ্যাপস বানিয়েছি। এটির নাম, ‘A to Z of Thalacemia’। এটিই দেশের প্রথম থ্যালাসেমিয়া নিয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। অ্যাপসটি ২০১৭ সালে উদ্বোধন করা হয়েছে, এখানে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞানটুকু আছে। আমরা চেয়েছি, দেশে যে পাঁচ থেকে ছয় হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী আছেন, তাদের সংখ্যা আর না বাড়ুক। তবে এই রোগের প্রতিরোধে সচেতনতা খুব জরুরি। কারণ এই দেশের ১শ জনের মধ্যে ১২জনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক।’’ তাছাড়াও তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে মিলে এ বছরের ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালা করেছেন। সেখানে বিভিন্ন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার, রোগ গবেষক, ল্যাব টেকনেশিয়ানরা ছিলেন। ‘থ্যালাসেমিয়া ট্র্যাকার’ নামের আরেকটি অ্যাপ তৈরি করছেন তারা। এটির মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা, চিকিৎসার বাইরে থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ও তাদের বাঁচানোর জন্য একটি ছাতা তৈরি করা হবে। এটির কাজ শেষ। উদ্বোধন বাকি। এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও ব্যবহার করবে বলে জানা গেছে। লন্ডনে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি ভিজিটে তাদের থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে কাজ তারা সে দেশের সমাজের মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন।

ইয়ুথ ক্লাবের আরেকটি উদ্যোগ ‘রোড হসপিটাল’। আগুন, ভূমিকম্প, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে এই হাসপাতাল ধারণা কাজ করে। এই কাজের শুরু ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার সময় টঙ্গীতে তারা বিনা খরচে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প পরিচালনা করেছেন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার করেছেন। সেখানে মানুষের তৈরি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় করণীয়গুলো জানানো হয়েছে। পরে আরও সেমিনার হয়েছে। তাতে ছাত্রছাত্রী, বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। তারা একটি সেফটি বক্স (নিরাপত্তা বাক্স) তৈরি করেছেন। ১শ টাকা দামের, ৫০ গ্রাম ওজনের এই বাক্সে দুর্ঘটনায় চিকিৎসা দেওয়ার মতো সবই থাকে। ব্র্যাক বিশ^বিদ্যালয়ে তারা দুর্ঘটনা ও দুর্বিপাকে দ্রুত কাজে নেমে পড়া কর্র্মী বাহিনী তৈরি করেছেন। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ইয়ুথ ক্লাব ছড়িয়ে দিতে চায়। এই সংগঠনের ওয়েবসাইটে ‘ইয়ুথ ইনফরমেশন সেন্টার অ্যান্ড লাইব্রেরি’ আছে। তাতে বাংলা, ইংরেজি ভাষার ৩শ বই আছে। বেশিরভাগই ইতিহাস, ঐতিহ্য নিয়ে। বাসে চড়ার সময় বা বসে থেকে বইগুলো পড়া যাবে। তাছাড়াও এই দেশের ইতিহাস সম্পর্কে তরুণ দলকে আরও সচেতন করতে, তাদের এই দেশ সম্পর্কে জানাতে ‘বাংলাকে জানো, বাঙালিকে জানো’ নামের একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ক্লাবের ফেইসবুক পেইজে। প্রশ্নোত্তরের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করে পুরস্কার আছে। ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়টি প্রতিযোগিতা হয়েছে।

এই দেশের সব নারীকেই ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ মনে হয় লিজার। সবারই প্রতিভা আছে, অনেক কিছু করার সামর্থ্য আছে, কিন্তু সুযোগ ও বঞ্চনার অভাবে তারা সে কাজ করতে পারেন না। ফলে ওয়ান্ডার ওম্যান তৈরিতে সাহায্য করছেন তারা। এখন যেসব ইয়ুথ ক্লাবের নারী সদস্য অনলাইনে বিশেষ করে ফেইসবুকে কোনো ব্যবসা ধারণা ছড়াচ্ছেন, তাদের কাজগুলোকে তারা নিজেদের ওয়েবসাইট (www.youthclubofbangladesh.org) এবং ‘উই’ নামের মেয়েদের ফেইসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন মোট ৬০ জন নারী এই সুবিধা ভোগ করছেন।

‘গ্রিন আর্মি’ নামে বাসাবাড়ির ভেতরে বায়ুবিশুদ্ধকারী গাছ লাগানোর একটি প্রকল্পও চলছে তাদের। তুলসী, অ্যালোভেরা, মানিপ্ল্যান্ট গাছগুলো বাতাস পরিষ্কার করে। আগে যেখানে কোনো সদস্যের বাড়িতে কোনো গাছ ছিল না, এখন সেখানে বেশিরভাগ ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশের সদস্যের বাড়িতে, ঘরে গাছ আছে। ১০ জন স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে গাছ লাগানোর সচেতনতা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ছড়াচ্ছেন। বইমেলাতেও এই প্রচার চলেছে।

‘পুষ্টি’ নিয়েও কাজ করছে এই ক্লাব। প্রতিদিনের খাবারের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদা মেটানো যায়। যেমন একটি কাঁচামরিচ সারা দিনের ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা মিটিয়ে দেয়। পুষ্টি প্রচারণার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে একেবারেই অসচেতন তরুণ-তরুণীদের স্বাস্থ্য সচেতন করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশে স্বাস্থ্যবান জাতি গড়ে তুলতে চান তারা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত