মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কোহিনূরের সন্ধানে দুই ফেলুদা

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ০২:৫৩ পিএম

সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদা হয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। পরে এ বিখ্যাত নির্মাতার ছেলে সন্দীপ রায়ের হাত ধরে একই চরিত্রে পা গলান সব্যসাচী চক্রবর্তী।

দুই ফেলুদাকে পাওয়া পাওয়া যাবে একই সিনেমায়। তবে এবার সত্যজিতের কোনো গল্পে নয়। রহস্যময় রত্ন কোহিনূরকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে সিনেমা, নামও ‘কোহিনূর’।

পরিচালক শান্তনু ঘোষ আলো ফেলতে চলেছেন ইতিহাসের এক রহস্যময় পাতায়। সেই রহস্যের কেন্দ্রে আছে কোহিনূর। এই ছবিতে সৌমিত্র ও সব্যসাচী গোয়েন্দার মতো তদন্ত না করলেও ইতিহাসের এক জটিল রহস্যের সমাধান করবেন।

মুঘল সম্রাট বাবরের হাত ধরে এই উপমহাদেশে আসে কোহিনূর। পরে তা লুট করে নিয়ে যান নাদির শাহ। বর্তমানে হিরাটি রক্ষিত আছে লন্ডনের মিউজিয়ামে। কিন্তু এই বিশ্ববিখ্যাত হিরা ভারতে আসা বা তার যাত্রাপথ  নানা রহস্যে ঘেরা। যার সমাধান আজও মেলেনি।

সেই গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন এক সিক্রেট এজেন্টের সাবেক কর্মচারী সায়ন গুহ। যার দায়িত্ব ছিল ১৮ বছরের জন্মদিনে ঐতিহাসিক তাপসরঞ্জন সরকারের দেওয়া একটা উপহার নাতনি অবন্তিকার হাতে তুলে দেওয়ান। সেই উপহার আসলে একটা বাক্স। কিন্তু এর আগেই হারিয়ে যায় সায়ন। তার সহযাত্রী অনিন্দ্য গুরুতর আহত হয়। শুরু হয় রহস্য, যার অনুসন্ধানে জড়িয়ে পড়ে অনিন্দ্যর চাচার বন্ধু সাত্যকি বসু। আর সাত্যকির সূত্রেই এই গল্পে এসে পড়ে কোহিনুর বিশেষজ্ঞ অর্ণব। সেই বাক্সে কি সত্যিই ছিল কোহিনুর?‌

ছবিতে সাত্যকি বসুর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অর্ণব সেনের চরিত্রে আছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী। আরও রয়েছেন বরুণ চন্দ, দেবদূত ঘোষ, ইন্দ্রাণী দত্ত, অঙ্কিতা মজুমদার প্রমুখ। মুক্তি পাবে ১৫ মার্চ।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত