শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

পুরান কাপড় আমদানি

৫ হাজার ব্যবসায়ীকে সুযোগ দেবে সরকার

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৯, ১২:১৪ এএম

পাঁচ হাজার ব্যবসায়ীকে বিদেশ থেকে পুরান কাপড় আমদানির সুযোগ দেবে সরকার। এ জন্য সারা দেশের পুরান কাপড়ের আমদানিকারকদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের (সিসিআইই) দপ্তর। জমা পড়া আবেদন থেকে লটারির মাধ্যমে জেলা কোটা অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের এ সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিসিআইইর সহকারী নিয়ন্ত্রক মো. সিরাজুল ইসলাম।

সিসিআইইর কর্মকর্তারা জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ পুরান কাপড় আমদানি হয়। মূলত, ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলো থেকে শীতের কাপড়, ট্রাউজার, জ্যাকেট আমদানি হয় বেশি। দেশের সাধারণ ক্রেতারা ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন মার্কেট থেকে এসব পুরান কাপড় কিনে ব্যবহার করেন।

অনেক ব্যবসায়ী আবেদন করলেও দেশীয় পোশাকশিল্পের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাঁচ হাজার ব্যবসায়ীকে নির্দিষ্ট পরিমাণে পুরান কাপড় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এবারও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে। ৭ এপ্রিলের মধ্যে আবেদন জমা হতে হবে। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে প্রকাশ্য লটারির মাধ্যমে পাঁচ হাজার জনকে এ সুবিধা দেওয়া হবে। অনুমোদন পাওয়া ব্যবসায়ীরা শুধু কম্বল, সোয়েটার, লেডিস কার্ডিগান, জিপার জ্যাকেটসহ পুরুষের জ্যাকেট, পুরুষের ট্রাউজার এবং সিনথেটিক ও ব্লেন্ডেড কাপড়ের শার্ট পুরান কাপড় হিসেবে আমদানি করতে পারবেন। অন্য কোনো পুরান কাপড় আমদানি করা যাবে না। সিসিআইই জানায়, একজন আমদানিকারক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার পুরান কাপড় বিদেশ থেকে আনতে পারবেন। একজন সর্বোচ্চ ২ টন ওজনের কম্বল বা সিনথেটিক ও ব্লেন্ডেড কাপড়ের শার্ট অথবা, ছয় টন ওজনের সোয়েটার, লেডিস কার্ডিগ্যান, জিপার-জ্যাকেটসহ পুরুষের জ্যাকেট বা পুরুষের ট্রাউজার আমদানি করতে পারবে। কোনো আমদানিকারক একাধিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী হলে নির্ধারিত ৫০ হাজার টাকার মধ্যেই তা করতে হবে। আমদানিকারকদের আমদানি করা কাপড় নিজ নিজ জেলায় নিয়ে বিক্রি করতে হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত