মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সখীপুর-ভালুকা সড়ক

বেইলি সেতু ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৯, ০১:০৩ এএম

টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সংযোগ সড়কের কীর্ত্তনখোলা-ধুমখালী এলাকায় বেইলি সেতুর কয়েকটি পাটাতন ভেঙে গেছে প্রায় দুমাস আগে। তার পর থেকে এ সেতু দিয়ে বড় ও মাঝারি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেতুটি এখনো সংস্কার না হওয়ায় এ সড়কপথে চলাচলকারী যাত্রী ও পরিবহন চালকদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। এ সড়কে চলাচলকারী আলমগীর নামে এক অটোরিকশা চালক জানান, সেতুর পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে অটোরিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও ভ্যানগাড়ির মতো ছোট যানবাহন চলাচল করছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এই সড়কের নিয়মিত যাত্রীরা। সব ধরনের ভারী যানবাহন বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছে। এতে সময় ও অর্থ খরচ বেশি হচ্ছে। সখীপুর থেকে ময়মনসিংহ ও ঢাকায় যাতায়াতের জন্য এ সড়কটি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়াও ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের মানুষ এ সড়কে বেশি চলাচল করে থাকেন। সড়কটিতে প্রতিদিন কয়েকশ যাত্রীবাহী ও মালবাহী গাড়ি চলাচল করে। ইজিবাইক চালক আবদুল কাদের বলেন, ‘এ রাস্তা দিয়াই লোকজন আনা-নেওয়া করি। অন্য উপায় নাই। তাই পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়াই যাত্রী টানছি। ভাঙ্গার উপর দিয়া গেলে বুকডা ধড়ফড় করে।’

ইজিবাইকের যাত্রী নাহিদা আক্তার জানান, ভাঙা সেতুর পাশে কোনো ধরনের বিপদ সংকেত বা লাল নিশান দেওয়া হয়নি। ব্রিজের আশপাশের কয়েক বাসিন্দা জানান, ভাঙা সেতুর আশপাশে বাতির ব্যবস্থা না থাকায় রাতে প্রায়ই পথচারীরা সেতুর ভাঙা পাটাতনের ভেতর দিয়ে পড়ে যান।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কুদ্দুছ বলেন, প্রায় প্রতি বছরই ওই বেইলি সেতুর পাটাতন ভেঙে পড়ে। মেরামতও করা হয়। তিনি জানান, ২৯ মিটারের ওই সেতুটি নতুনভাবে নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই নির্মাণ কাজ শুরু হবে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে খুব দ্রুত সেতুটির সংস্কারে কাজ শুরু হবে।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত