মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নকল মানুষ নিয়ে মহাকাশে স্পেস এক্স

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৯, ১১:৪০ পিএম

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেস এক্সের নতুন মানববিহীন রকেট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মার্কিন ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার জন্ম হলো। শনিবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস এক্সের তৈরি একটি ক্যাপসুল উৎক্ষেপণ করা হয়। মিশনটি ভালোভাবে সম্পন্ন হলে আমেরিকার স্পেস এজেন্সি স্পেস এক্সের এই পদ্ধতিকে নিয়মিত করার অনুমোদন দেবে। মহাকাশের কক্ষপথে সর্বশেষ ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র মানুষ পাঠিয়েছিল। দীর্ঘ ৮ বছর পর আবারও মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি। উৎক্ষেপিত ফ্যালকন নাইন রকেটটির মধ্যে ‘ড্রাগন’ নামে ১৬ ফুট দীর্ঘ একটি ক্রু ক্যাপসুল রয়েছে। আর ওই ক্যাপসুলের মধ্যে আছে রিপ্লে নামে একটি ডামি মহাকাশচারী। রকেট উৎক্ষেপণের ১১ মিনিট পর ক্যাপসুলটি রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। গতকাল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছে এটি। আগামী শুক্রবার ভ্রমণ শেষ করে

পৃথিবীতে ফিরে আসবে বলে স্পেস এক্স জানায়।

স্পেস এক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক বলেন, ‘২০১১ সালে মহাকাশ শাটল অবসর নেওয়ার পর এই প্রথম আমেরিকার মাটি থেকে আমেরিকার রকেটে করে আমেরিকার মহাকাশচারীর যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি।’ স্পেস এক্স-এর সর্বশেষ পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে মহাকাশচারীর বদলে থাকা রিপ্লে নামের ডামিটিকেও স্পেসস্যুট পরানো হয়। জানালার পাশে বসা রিপ্লের মাথা, ঘাড় এবং মেরুদণ্ডের চারপাশে সেন্সর বসানো। মূলত মহাকাশ যাত্রায় একজর নভোচারীকে কেমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে সে সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে ওই সেন্সরগুলো।

২০১১ সালে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে শাটল প্রোগ্রামের ইতি টানার পর নাসা আমেরিকার স্পেস মিশনের জন্য নতুন সরবরাহকারীর সন্ধান করতে শুরু করে। ২০১৪ সালে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা স্পেস এক্স ও বোয়িং-এর সঙ্গে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি করে। সর্বশেষ রকেট উড্ডয়নটি মার্কিন ইতিহাসে নবযুগ নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ধারণা করা হচ্ছে, বছরের শেষ দিকে মানববাহী ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে আমেরিকা।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত