শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

খানাখন্দে ভরা রাস্তায় মানুষের ভোগান্তি

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৭ এএম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার প্রধান সড়কসহ বেশির ভাগ সড়কে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। শহরের সবগুলো রাস্তায় বড় বড় গর্তের কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে কাদাপানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে সড়কগুলোতে বাধ্য হয়ে চলাচলকারী এলাকাবাসী। প্রায় ১১ বছর সড়কগুলোতে কোনো প্রকার সংস্কার না করায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জানা যায়, ২০০৩ সালে ৯টি ওয়ার্ড ও প্রায় ১৯০ কিলোমিটার পাকা, আধা পাকা ও কাঁচা রাস্তা নিয়ে রামগঞ্জ পৌরসভা ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, খোদ রামগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে বাইপাস সড়কে বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায়ই গর্তে যানবাহন উল্টে ঘটছে দুর্ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতেই খানাখন্দগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়ক, রামগঞ্জ থানা ও সাব রেজিস্ট্রি অফিস সড়ক, রামগঞ্জ-সোনাপুর সড়ক, রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সড়ক, সোনাপুর থেকে চিতৌষী সড়ক, রামগঞ্জ পানিয়ালা সড়ক, রামগঞ্জ সরকারি কলেজ, রামগঞ্জ রাব্বানিয়া কামিলা মাদ্রাসা ও মডেল কলেজ সড়ক, ওয়াপদা সড়ক, মাছ বাজার সড়ক,
মৌলভী বাজার নাজিম গেট সড়কসহ প্রায় সব সড়কে বড় বড় গর্ত রয়েছে। রিকশাচালক তিরিক হোসেন জানান, সড়কগুলোতে গর্তের কারণে কোনো যাত্রী রিকশায় উঠতে চান না। ভাঙাচোরা সড়কে রিকশা চালানোর কারণে মাঝেমধ্যে গর্তে পড়ে রিকশার ক্ষতি হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। মাইক্রোবাসচালক আবদুল হান্নান জানান, প্রায় প্রতি সপ্তাহে গাড়ির যন্ত্রাংশ মেরামত করতে হয়। বিমাকর্মী রহমত উল্লাহ পাটোয়ারী জানান, রামগঞ্জ কাঁচাবাজারের প্রধান সড়কটি এতই বেহাল যে সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান পানি জমে যায়। হেঁটে চলাও কষ্টকর। রামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র হানিফ পাটোয়ারী বলেন, মূলত গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদের পর থেকে এ শহরে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রামগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী আবুল আনছার জানান, বর্তমানে পৌরসভার প্রায় ৬০ ভাগ সড়কই সংস্কারের উপযোগী। পর্যায়ক্রমে সড়কগুলো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পৌর প্রশাসন। রামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারী বলেন, ‘খুব শিগগির রাস্তাগুলোর সংস্কারকাজ শুরু হবে। দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করি আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই বেশ কিছু সড়কের কাজ শেষ হবে এবং মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত