শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বাঁশখালীতে বেশিরভাগ নলকূপ অকেজো

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ০১:১৮ এএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিমাংশের অধিকাংশ নলকূপে পানি না ওঠায় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাঁশখালীর ছনুয়া, শেখেরখিল, গ-ামারা, সরল, পুঁইছড়ি, কাথ রিয়া, বাহারছড়া, খানখানাবাদ, শীলকূপের পশ্চিমাংশ মনকিচর, বৈলছড়ির পশ্চিমাংশ, কালীপুরের পশ্চিমাংশসহ বেশকিছু এলাকায় মোটর কিংবা সাবমার্সিবল পাম্প ছাড়া পানি তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এসব এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট বিরাজ করছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, একদিকে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মোটর এবং সাবমার্সিবল পাম্প চালিয়ে গভীর নলকূপের মাধ্যমে অনেক নিচ থেকে পানি তুলে নেওয়ার কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। বর্তমানে বাঁশখালীতে প্রায় ১০ হাজার একর জমিতে বোরো চাষ হচ্ছে। এ বোরো চাষে প্রচুর পানি প্রয়োজন। বাঁশখালীর অধিকাংশ এলাকায় বর্তমানে পানীয় জলের তীব্র সংকট
থাকায় সাধারণ জনগণ নানাভাবে সমস্যায় দিনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, আমার এলাকায় কয়েকশ নলকূপ থাকলেও বর্তমানে তার বেশিরভাগ নলকূপে পানি না ওঠার কারণে জনগণ পানীয় জলের সমস্যার মধ্যে রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত পানি থাকার কারণে এখানকার জনগণের নলকূপের প্রচুর চাহিদা। কিন্তু সরকারিভাবে সে অনুসারে পাওয়া যায় না। ব্যক্তিগতভাবে নলকূপ বসাতে এক থেকে দেড় লাখ টাকার প্রয়োজন পড়ে। একই কথা বললেন বাঁশখালীর উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম, খানখানাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বৈলছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কপিলউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের বাঁশখালীর উপ-প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান দেওয়ানজী বলেন, দিন দিন পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ফলে আগের বসানো নলকূপগুলোতে এ মৌসুমে পানি উঠছে না। অধিকাংশ নলকূপে বর্তমানে পানি উঠছে না।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত