রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

জিয়া ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০১৯, ০৩:২৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাকিস্তান হানাদারদের পছন্দ ছিল না বলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী সময়ে মিলিটারি ডিক্টেটররা একই পদাঙ্ক অনুসরণ করে। যারা বঙ্গবন্ধুর ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল তারা ধীরে ধীরে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজ সারাবিশ্বে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক প্রামাণিক দলিল হিসেবে পরিগণিত। এই ভাষণকে ২০১৭ সালের

 অক্টোবর মাসে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা এক ঘোষণায় এ কথা জানান। বিশ্ব ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার একটি আন্তর্জাতিক তালিকাই মূলত ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অংশের ঘটনার সংরক্ষণ ও সবার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে ইউনেস্কো। এই তালিকায় ঠাঁই পেতে হলে পর্যাপ্ত গ্রহণযোগ্যতা ও ঐতিহাসিকভাবে প্রভাব থাকতে হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন আমার মা। ওই দিন সকাল থেকে অনেক নেতা অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকে চিরকুট রেখে গেছেন। দুপুরে খাবারের পর মা আব্বাকে বললেন, আপনাকে একটু রেস্ট নিতে হবে। তখন আব্বাকে বেডরুমে নিয়ে গেলেন। ১৫ মিনিট রেস্ট নেন। সে সময় মা আব্বাকে বলেছিলেন, অনেকে কথা বলেছে। আজকে আপনার মন যা বলবে, তাই বলবেন। কারণ আপনার এই ভাষণের ওপর বাঙালির ভাগ্য নির্ধারণ হবে। আপনি যা ভালো মনে করবেন বলবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভাষণের আবেদন কখনো ফুরাবে না। এ ভাষণ যুগ যুগ ধরে থাকবে, এ ভাষণ এখনো আমাদের প্রেরণা জোগায়। এজন্যই এটি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ। যারা একসময় এটাকে নিষিদ্ধ করেছে, ধীরে ধীরে তারা আস্তাকুঁড়েই যাবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত