বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

৫৩ উপজেলার ফল

আ.লীগ ৩৪ বিদ্রোহী ১৫ স্বতন্ত্র ৪

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৯, ০৪:৩২ এএম

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে দেশের চার বিভাগের ১২ জেলার ৭৮ উপজেলায় ভোট হয়েছে গতকাল রবিবার। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ছাড়া বড় রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচন বর্জন করায় এই নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ছিল না তেমন আলোচনা ও উত্তাপ। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হয়।

প্রথম ধাপের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ১৫ জন চেয়ারম্যান, ছয়জন ভাইস চেয়ারম্যান ও সাতজন নারী ভাইস চেয়ারম্যান। সব মিলিয়ে এ ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন ২৮ জন। 

গতকাল রাত ২টা ৩০ মিনিটে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫৩ উপজেলার বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা ৩৪ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীরা ১৫টিতে ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৪টিতে বিজয়ী হয়েছেন।

লালমনিরহাট সদরে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কামরুজ্জামান সুজন, পাটগ্রামে নৌকার রুহুল আমিন বকুল, হাতীবান্ধায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মশিউর রহমান মামুন এবং কালীগঞ্জে নৌকার মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ।

নেত্রকোনার বারহাট্টায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাইনুল হক কাশেম, দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমা তালুকদার, খালিয়াজুড়ীতে নৌকার গোলাম কিবরিয়া জব্বার, মোহনগঞ্জে নৌকার শহীদ ইকবাল, কলমাকান্দায় নৌকার আবদুল খালেক, মদনে নৌকার মো. হাবিবুর রহমান।

সুনামগঞ্জের সদরে নৌকার খায়রুল হুদা চপল, দোয়ারাবাজারে নৌকার ডা. আবদুর রহিম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে স্বতন্ত্র (বিএনপির বহিষ্কৃত) ফারুক আহমেদ, দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মঞ্জুর আলম চৌধুরী, বিশ্বম্ভরপুরে নৌকার সফর উদ্দিন, তাহিরপুরে নৌকার করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, ধর্মপাশায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাম্মেল হোসেন রোকন, ছাতকে নৌকার ফজলুর রহমান এবং শাল্লায় নৌকার আল আমিন চৌধুরী।

হবিগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, বাহুবলে স্বতন্ত্র এলডিপির সৈয়দ খলিলুর রহমান, মাধবপুরে স্বতন্ত্র (বিএনপির বহিষ্কৃত) সৈয়দ মো. শাহজাহান, চুনারুঘাটে নৌকার আবদুল কাদির লস্কর, লাখাইয়ে নৌকার মুশফিউল আজাদ, নবীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, আজমিরীগঞ্জে নৌকার মর্তুজা হাসান এবং বানিয়াচংয়ে নৌকার আবুল কাশেম চৌধুরী।

রাজশাহীর তানোরে নৌকার লুৎফুল হায়দার রশীদ ময়না, গোদাগাড়ীতে নৌকার জাহাঙ্গীর আলম, বাগমারায় নৌকার অনীল কুমার সরকার, পুঠিয়ায় নৌকার জিএম হীরা বাচ্চু, দুর্গাপুরে নৌকার নজরুল ইসলাম, চারঘাটে নৌকার ফখরুল ইসলাম। 

জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্বতন্ত্র আবদুর রউফ তালুকদার, ইসলামপুরে নৌকার জামাল আবদুন নাছের বাবুল এবং দেওয়ানগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোলাইমান হোসেন সোলাই।

জয়পুরহাটের কালাইয়ে নৌকার মিনফুজুর রহমান মিলন, ক্ষেতলালে নৌকার মোস্তাকিম মণ্ডল এবং আক্কেলপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুস সালাম আকন্দ।

নাটোরের সিংড়ায় নৌকার শফিকুল ইসলাম শফিক, বাগাতিপাড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অহিদুল ইসলাম গকুল, বড়াইগ্রামে নৌকার ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন এবং লালপুরে নৌকার মো. ইসাহাক আলী।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকার অধ্যক্ষ আজাদ রহমান, রায়গঞ্জে নৌকার ইমরুল হোসেন তালুকদার, বেলকুচিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূরুল ইসলাম সাজেদুল, চৌহালীতে নৌকার ফারুক হোসেন এবং তাড়াশে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান।

নীলফামারীর ডোমারে নৌকার তোফায়েল আহমেদ, ডিমলায় নৌকার মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ মো. আবদুল কালাম বারী পাইলট এবং সৈয়দপুরে নৌকার মোখছেদুল মোমিন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত