রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মজার খনি টিকটক

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫৮ পিএম

সারা বিশ্ব টিকটকে মজেছে; মজেছেন নামকরা সেলিব্রেটিরাও। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। আমাদের দেশে তুমুল জনপ্রিয় এই টিকটক। দেশের অনেক সেলিব্রেটি টিকটক নামের এই ভাইরাসে আক্রান্ত। কিন্তু কী

এই টিকটক? বিস্তারিত লিখেছেন লায়লা আরজুমান্দ

টিকটক কী?

ভিডিও তৈরি ও শেয়ারিংয়ের চীনভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ‘টিকটক’। এতে বিভিন্ন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় সংলাপ, গানের কথোপকথন, মজাদার অডিওর সঙ্গে মিল রেখে অ্যাপস ব্যবহারকারীরা মুখ বা অঙ্গভঙ্গি মিলিয়ে ভিডিও বানান। পরিচিত ফিল্মি ডায়ালগ বা গানের সঙ্গে নিজেরা অভিনয় করে মজার মজার ভিডিও তৈরি হচ্ছে এখন অহরহ। এডিটের সময় ভিডিওর গতি সেøা বা ফাস্ট করা যাবে। তবে এখানে নিজের গলার স্বর ব্যবহার করা যায় না। যা করা হয় তা হলো ‘লিপ সিঙ্ক’, অর্থাৎ ঠোঁট নাড়া। এছাড়া বিভিন্ন ইফেক্ট ব্যবহার করে চেহারা পরিবর্তন করা যায়।

এরই মধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই অ্যাপ। ১০-১৫ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা যায় এই অ্যাপে। যারা কিছুটা কমেডি করতে পারেন বা অভিনয় বা যারা নিজের প্রতিভা সবার সামনে তুলে ধরতে চান তাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বজুড়ে দেড়শ’র বেশি দেশে এই অ্যাপটির ব্যবহারকারী রয়েছে। এই অ্যাপটি চালু হয়েছে ২০১৬ সালে। আর মাত্র দুই বছরের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা হয়ে যায় আকাশচুম্বী। বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘বাইটড্যান্স’ ২০১৭ সালে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ ‘মিউজিক্যালি’ ১ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেয়। তারা সেই অ্যাপের নাম দেয় ‘টিকটক’।

১০০ কোটির মাইলফলক

বিশ্বব্যাপী এই অ্যাপটি কতটা জনপ্রিয় সেটা বোঝা যায় তার ডাউনলোডের সংখ্যা দেখেই। সম্প্রতি এই অ্যাপটি পেরিয়েছে ১০০ কোটিবার ডাউনলোডের মাইলফলক। ১০০ কোটি ডাউনলোডের এই হিসাব করতে এর লাইট সংস্করণ ও আঞ্চলিক সংস্করণকে হিসাবে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি টিকটক যত বেশি ডাউনলোড হয়েছে তার ২৫ শতাংশই ভারতে। যুক্তরাষ্ট্রেও গত বছরের জানুয়ারির চেয়ে এ বছরের জানুয়ারিতে টিকটকের ব্যবহার বেড়েছে। বেশকিছু ফিল্টার ও ফিচার আনার ফলেই তরুণরা টিকটকের দিকে ঝুঁকেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। টিকটক জনপ্রিয়তা পাওয়ায় এখন বিশ্বের সবচেয়ে দামি স্টার্টআপের তকমা পেয়েছে।

কী ধরনের ভিডিও তৈরি করা যায়

যেকোনো ইভেন্ট বা বিষয়কে একতাবদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয় হ্যাশট্যাগ। শুরুর দিকে শুধু মাত্র টুইটারে এই হ্যাশট্যাগ সেবাটি চালু ছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। টিকটকও এর ব্যতিক্রম নয়। হ্যাশট্যাগ টিকটকে বিস্ময়কর ভূমিকা পালন করছে। নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ, জোকস, রসিকতা বা কোনো কাজ পুনরাবৃত্তি করতে টিকটকে ব্যবহার করা হয় এই হ্যাশট্যাগ। এখান থেকে জনপ্রিয় বিভিন্ন গানের ক্লিপ, টিভি শো, ইউটিউব ভিডিও বা অন্যান্য টিকটক ভিডিও থেকে সংক্ষিপ্ত মুহূর্ত নিয়ে পছন্দসহ ভিডিও বানানো যায়।

ছুড়ে দেওয়া যায় বিভিন্ন ডেয়ার চ্যালেঞ্জ, অংশগ্রহণ করা যায় বিভিন্ন মজার নাচের মেমে-তে অথবা তৈরি করা যায় কোনো জোকস। যেহেতু টিকটকে রয়েছে ভিডিও সম্পাদনার সব কলাকৌশল। খুব সহজেই দ্রুত সময়ে চমকপ্রদ ভিডিও বানানো যায়। তাই তরুণ প্রজন্মের বাড়ছে এই টিকটক আসক্তি। ওপর নিচে স্ক্রলিংয়ের মাধ্যমে পছন্দ করা যায় টিকটকের ভিডিও। আসলে টিকটককে তুলনা করা যায় একটি খালি ক্যানভাসের সঙ্গে। এখানে ব্যবহারকারীরা যা খুশি তাই করতে পারেন।

কেন জনপ্রিয়

টিকটক যারা ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে একজন হলেন মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা নীরা। তার কাছে ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রামের থেকেও বেশি পছন্দ টিকটক। কারণ হিসেবে তিনি জানান, এখানে বোর বা একঘেয়ে লাগার কোনো সুযোগ নেই। শত শত হাসির ভিডিও দেখে মন ভালো হয়ে যায়।  আবার অন্যের ডায়লগে নিজে কেমন অভিনয় করে থাকেন সেই ভাবনা থেকেও অনেকে টিকটক ব্যবহার করে থাকেন।

সময়ও জনপ্রিয় হওয়ার আরেকটি কারণ। কম সময়ের মধ্যে অর্থপূর্ণ ও মজার অনেক কিছু দেখানো হয়ে থাকে। সময় কম লাগে বলে বিরক্তির উদ্রেগ করে না। তাই অনেক ধরনের ভিডিও একটার পর আরেকটা দেখতেই থাকেন অনেকে। অনলাইন জনতে নতুন এক ফানি জায়গা এই টিকটক। জনপ্রিয় এক সেলিব্রেটির সঙ্গে খুব সাধারণ এক মানুষ নিজেকে যুক্ত করে ফেলতে পারেন ভিডিওতে।

বিতর্কিত টিকটক

 

ফেইসবুকে লাইক, শেয়ার আর কমেন্ট পাওয়ার জন্য কত ধরনের পাগলামি করা হচ্ছে তা টিকটকের কিছু ভিডিও দেখলেই বোঝা যায়। এর বিরুদ্ধে নানা কুৎসিত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে। বলা হচ্ছে এই অ্যাপের কারণে নতুন প্রজন্মের বেড়ে ওঠা হুমকির মুখে পড়েছে, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অশ্লীল কন্টেন্ট ও ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও। এর ফলে তৈরি হচ্ছে একধরনের অসুস্থ মানসিকতা। অনেক পুরুষ যেমন নারী সেজে অভিনয় করছেন আবার অনেকে তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) সেজেও অভিনয়ে মেতেছেন। অনেকে টিকটকের ভিডিওয়ের জন্য দুর্ঘটনার শিকারও হচ্ছেন।

আয় করা যায়

বেশ কিছু মানুষের কাছে টিকটক আবার রোজগারেরও মাধ্যম হয়ে উঠেছে। ফেইসবুক বা টুইটারে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টগুলোতে যেমন নীল টিকচিহ্ন দেওয়া থাকে, টিকটকের ক্ষেত্রে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টগুলোতে কমলা চিহ্ন দেওয়া হয়। এই ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কত আয় হবে কীভাবে আয় হবে সেটা নির্ভর করে কত লাইক, শেয়ার, কমেন্ট হলো তার ওপর। তবে জনপ্রিয় কনটেন্ট/ভিডিও মেকারদের আলাদাভাবে টিকটক আয়ের সুযোগ করে দিলেও সব ব্যবহারকারী ও কনটেন্ট মেকারদের জন্য আয়ের সুযোগ বর্তমানে নেই। এই অ্যাপটি তৈরি করেছে বাইটড্যান্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যার প্রতিষ্ঠাতা যাহাং ইয়িমিং মূলত একজন অ্যালগরিদম বিশেষজ্ঞ। তিনি তার প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি মাইক্রো-ভিডিও ভিত্তিক অ্যাপ তৈরি করেন। সর্বশেষ মিউজিক্যালি কিনে নেওয়ার পরে নাটকীয় উত্থান হয় তার প্রতিষ্ঠানের। টিকটকের মূল কোম্পানি চীনে হুওয়াতে। তাদের ‘ডাওইন’ বা ‘ডুইয়িন’ নামে আরেকটা আলাদা চাইনিজ ভার্সনও আছে।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

টিকটক যেমন জনপ্রিয় তেমনি আবার তার কিছু মন্দ দিকও রয়েছে। যেমন প্রথমেই বলা যায় টিকটকের প্রাইভেসি সেটিংস নিয়ে। এর মাত্র দুই ধরনের প্রাইভেসি সেটিংস রয়েছে। একটা হচ্ছে ওনলি মি। মানে শুধু নিজে দেখা যাবে। আরেকটি হচ্ছে পাবলিক, যা সবাই দেখতে পারবে। সবার জন্য উন্মুক্ত। এর মধ্যে আলাদা আর কোনো অপশন নেই। চাইলেই যে কেউ মেসেজ করতে পারবে। কথা বলতে পারবে। টিকটকের আরেকটি মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে তার ব্যবহারকারীদের বয়স। বলা হয়ে থাকে ১৩ বছরের বেশি যাদের বয়স শুধু মাত্র তারা এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু আসলে দেখা যায় ১২ বছরেরও কম বয়সীরাও এই অ্যাপ ব্যবহার করছে।

imageবাংলাদেশেও জনপ্রিয়

সারা বিশ্ব যখন এই অ্যাপে মজেছে বাংলাদেশই বা আর বাদ যাবে কেন। বাংলাদেশেও তুমুল জনপ্রিয় সব শ্রেণির কাছে। সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষদের কাছেও পৌঁছে গেছে এই অ্যাপ। যারা টিকটকে জনপ্রিয় তাদের রয়েছে লাখ লাখ ফলোয়ার।

বাংলাদেশের অভিনেতা ডিপজল, শাকিব খান, মোশাররফ করিমসহ অন্যান্য জনপ্রিয় তারকাদের সংলাপ নিয়ে মেতে উঠেছেন টিকটক ব্যবহারকারীরা। শুধু অভিনেতা কেন এই তালিকা থেকে বাদ যাননি গায়ক-গায়িকা, রাজনৈতিক নেতারাও। বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলের অংশ, টকশোর অংশ, সংবাদের অংশ নিয়েও বানানো হচ্ছে টিকটক ভিডিও। শিশুদের বিভিন্ন কথার সঙ্গে বড়রা অভিনয় করে দেখাচ্ছেন। হলিউড বলিউডের সেলিব্রেটিদের সঙ্গে নিজেকে জুড়ে নিচ্ছে এক নিমিষে। মজার ছলে ভিডিও বানিয়ে অনেকেই হয়ে যাচ্ছেন জনপ্রিয়।

তারকাদের টিকটক জ¦র

আর দশজনের মতো তারকারাও আক্রান্ত হয়েছেন টিকটক ভাইরাসে। পূর্ণিমা, পপি, অপু বিশ্বাস থেকে শুরু করে হালের মাহিয়া মাহি, মেহজাবিন চৌধুরী, টয়া, দিঘী পর্যন্ত টিকটক ভিডিও আপলোড করে বাহবা কুড়াচ্ছেন। নায়করাও বাদ যাচ্ছেন না। তবে নায়কদের চেয়ে নায়িকাদের ঝোঁকটাই বেশি। বিশেষ করে পূর্ণিমার টিকটক ভিডিওর জুড়ি নেই। তিনি এককভাবে কিংবা অন্য তারকাদের সঙ্গে নিয়েও মজার মজার টিকটক ভিডিও বানান। তাতে তার অভিব্যক্তি, দুষ্টুমিতে বুদ হয়ে আছেন দর্শক।

কিছুদিন আগেই ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি ও রোমানা নীড়কে দেখা গেল একটি টিকটক ভিডিওতে। বাপ-মেয়ের একটি মজার সংলাপকে ধারণ করে তারা নির্মাণ করেন নিজেদের টিকটক। একই সংলাপে হাজির হতে দেখা গিয়েছে নায়িকা অমৃতা খান ও নায়ক শিপন মিত্রকে। চিত্রনায়িকা বিপাশা কবিরকেও দেখা যায় টিকটক ভিডিওতে। তবে বেশির ভাগ সময়ে তিনি হাজির হন পছন্দের গানের সঙ্গে। চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়ার ঝোঁকটা একটু বেশিই বলা যায়। দেশ রূপান্তরকে তানহা বলেন, ‘ভালো লাগা থেকেই টিকটক ভিডিও বানাই। এর একটা ভালো দিকও আমি আবিষ্কার করেছি। ধরেন যে গানগুলো পছন্দ করি, সেই গানগুলোতে টিকটক করার চেষ্টা করি, দেখতে চাই সেই সব জনপ্রিয় গানে নিজেকে দেখতে কেমন লাগে। শুধু তাই নয়, এসব গানে পারফর্ম করেছেন আমাদের কিংবদন্তি নায়িকারা। সেই গানে তো আর আমরা পারফর্ম করতে পারব না, ফলে টিকটকের মাধ্যমে প্রিয় নায়িকার গানে নিজেকে দেখার কৌতূহলটা মেটাই। এতে করে অভিজ্ঞতাও বাড়ে। আর যখন অবসরে থাকি, তখন টিকটক করলে সময়টাও ভালো কাটে।’

ভাল্লাগে, খুশিতে, ঠেলায়, ঘোরতে

এই শব্দগলোর আবির্ভার বেশ কয়েক বছর আগে হলেও সম্প্রতি এটা ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড হওয়া একটি ভিডিওর মধ্য দিয়ে। বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টের একটি অংশ থেকে এই ডায়লগের শুরু। সেই অংশটি ব্যঙ্গাত্মকভাবে পুনরায় নির্মাণ করে ডাবিং অ্যাপ টিকটকে আপলোড করেন দুই বোন। মাইক্রোফোনের বদলে ব্যবহার করা হয় মেকআপের একটি ব্রাশ। যেটা ধরে রেখেছিলেন তাদের মা। এরপর বাকিটা সবার জানা। রাতারাতি তা জনপ্রিয়তা পায়। সেই বক্তব্য আরও বহু ব্যবহারকারী তাদের ভিডিওতে ব্যবহার করেন। এভাবে টিকটক থেকে ফেইসবুকে এসে বাক্যটি ছড়িয়ে পড়ে সব ধরনের সামাজিক মাধ্যমে।

এরকম আরও বহু জনপ্রিয় ভিডিওর জন্ম দিচ্ছে টিকটক। সামাজিক মাধ্যম সাইট হিসেবে ফেইসবুক বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয়। আর অ্যাপ হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় টিকটক এটা সবাই এখন একবাক্যে স্বীকার করবেন।

বন্ধ হচ্ছে টিকটক

নতুন প্রজন্মকে ইন্টারনেটের আপত্তিকর আসক্তি থেকে বের করে আনতে ও দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষায় নানা সাইট বন্ধ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় এবার টিকটক বন্ধেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অশ্লীল, ব্যঙ্গাত্মক এবং অপসংস্কৃতির কনটেন্ট আমাদের দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে দেশীয় সংস্কৃতির জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে এসব প্ল্যাটফর্ম। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, শুধু টিকটক নয় দেশীয়

সংস্কৃতির জন্য হুমকি রয়েছে এমন সব ধরনের সাইট আমরা বন্ধ করে দিতে চাই। আমি ইন্টারনেটকে নিরাপদ করতে চাই। এ দেশের মানুষ, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না এমন কোনো কিছুকেই আমি রাখতে চাই না।

টিকটকের মাধ্যমে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেও ছড়ানো হয় অশ্লীল ও আপত্তিজনক কনটেন্ট। এর কারণে তরুণ সমাজ বিশেষ করে উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ওপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। সম্প্রতি টিকটক ও বিগো লাইভের মতো প্ল্যাটফর্মে দেশীয় কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং বিভিন্ন মডেল আপত্তিকর কনটেন্ট শেয়ার করে। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে একরকম নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপ টিকটকের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি উঠেছে ভারতেও।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত