শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নিজেদের কীর্তিকেই ছুঁলো লিভারপুল

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৩ এএম

ঘরের মাঠে অপরাজিত থাকার নিজেদের রেকর্ডই স্পর্শ করল ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। শনিবার পিছিয়ে পড়েও সালাহ ও জোতার গোলে ওয়েস্টহ্যামকে হারিয়েছে তারা (২-১)। ২০১৭’র এপ্রিলে ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে পরাজয়ের পর থেকে অ্যানফিল্ডে ৬৩ ম্যাচ ধরে অপরাজিত তারা। শনিবারের জয়টি ছিল ৫২তম। বাকি ১১ ম্যাচ ড্র করেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ৩৯ বছর আগে প্রখ্যাত কোচ বব পেইসলির অধীনে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত অ্যানফিল্ডে ৬৩ ম্যাচ অপরাজিত ছিল অলরেডরা। ইপিএলে নিজেদের মাঠে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে হারের স্বাদ না পাওয়ার রেকর্ড অবশ্য চেলসির দখলে। ব্লুজরা এই কীর্তি গড়েছিল ২০০৮ সালে। তারা অপরাজিত ছিল টানা ৮৬ ম্যাচে। চেলসি শনিবার বার্নলেকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চারে অবস্থান করছে।

কানের রেকর্ডে ভাগ মুলারের

বায়ার্ন মিউনিখের সবচেয়ে বেশি ২৬০ লিগ ম্যাচ জয়ের অলিভার কানের রেকর্ডের পাশে বসলেন টমাস মুলার। শনিবার এফসি কোলনকে ২-১ গোলে হারিয়ে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার লেগেছে ৩৫৭ ম্যাচ। সব ক্লাব মিলিয়ে ৫৫৭ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩১০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডের মালিক কান। আর একটি ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি ২৯১ জয়ের রেকর্ড হামবুর্গের বর্ষীয়ান মানফ্রেড কালটজের (৫৮১ ম্যাচ খেলে)। দুটি রেকর্ডেই চোখ ৩১ বছর বয়সী মুলারের।

রবার্ট লেভানডোস্কিকে বিশ্রামে রেখে খেলতে নামা বায়ার্নকে ১৩ মিনিটে এগিয়ে দেন মুলার বিতর্কিত এক পেনাল্টিতে। লরে সানের ক্রসে হেড নিয়েছিলেন সার্জ নাব্রি। বল লাগে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার মারিউস ওলফের হাতে। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও বায়ার্নের আবেদনে ভিএআর দেখে স্পটকিকের সিদ্ধান্ত নেন। মুলার সেটা কাজে লাগান। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান বাড়ান নাব্রি। ৮২ ব্যবধান কমায় কোলন। ৬ ম্যাচে ৫ জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বায়ার্ন। ডর্টমুন্ডের পয়েন্টও সমান ম্যাচে ১৫। তবে গোল গড়ে এগিয়ে বায়ার্ন।

এমবাপেতে দুরন্ত পিএসজি

ইনজুরির কারণে নেইমার নেই। ছিলেন না ডি মারিয়াও। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপে তাদের অভাব বুঝতে দেননি। নঁতে’র মাঠ থেকে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে পিএসজি। মার্শেইয়ের কাছে বিতর্কিত ম্যাচে হারার পর থেকে এ নিয়ে টানা ৭ ম্যাচ জিতল প্যারিসিয়ানরা। ৯ ম্যাচ তাদের সংগ্রহ ২১ পয়েন্ট। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে এমবাপের পাস থেকে এন্ডার হেরেরা, ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এমবাপে এবং ৮৮ মিনিটে গোল করেন সারাবিয়া। টুখেল বলেন, ‘আমি খুব খুশি। আমরা বেশ কিছু (খেলোয়াড়) পরিবর্তন করেছি, কারণ এটা দরকার ছিল। সব সময় পারফেক্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই।’

ইন্তারের ড্র

শনিবার সিরি’আ-তে ইন্তার মিলান ও পার্মার ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ইন্তার ড্র করে মার্সেলো ব্রজভিচ এবং ইভান পেরিসিচের গোলে। ৬ খেলায় ১১ পয়েন্টে পাঁচে ইন্তার (শনিবার পর্যন্ত)। এদিকে এক ম্যাচ পর জয়ে ফিরেছে আতালন্তা। তারা ২-১ গোলে হারিয়েছে ক্রোতোনেকে। তাতে ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়তে তারা। এর আগে সাম্পদোরিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল আতালান্তা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত