শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ফ্যাটি লিভার ডিজিজ

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২০, ০২:৪৫ এএম

লিভারের পরিচিত এবং জটিল অসুখ হলো ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ দুই ধরনের। একটি অ্যালকোহলিক আর একটি নন-অ্যালকোহলিক।

আমাদের দেশে দ্বিতীয়টি বেশি দেখা যায়। লিভারের কোষে ৭ থেকে ৮ শতাংশ বা এর বেশি পরিমাণে চর্বি জমা হতে থাকলে তখন তাকে বলা হয় ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

লিভার সিরোসিসের অন্যতম কারণ হলো ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। তাই যাদেরই লিভারে চর্বি জমা হয়েছে বা যারা ফ্যাটি লিভার ডিজিজের ঝুঁকিতে আছেন, তাদের সচেতন থাকতে হবে গোড়াতেই।

যারা ওজনাধিক্যে ভুগছেন, যাদের পেট বেশি বড় এবং অনেক চর্বি জমেছে, অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার খান এবং যাদের ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত সাধারণত এমন মানুষের ফ্যাটি লিভার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

যেহেতু এটি আলট্রাসোনোগ্রাফি ছাড়া শনাক্ত করা যায় না, তাই কিছু সাধারণ উপসর্গ যেমন দুর্বল লাগা, বমি ভাব, খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেটে ব্যথা হওয়া এসব থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লিভারের অবস্থা সম্পর্কে অবগত হওয়া উচিত।

কারণ

 অতিরিক্ত শর্করা, বিশেষ করে সরল শর্করা গ্রহণ।

 ওজনাধিক্য। সাধারণত যাদেরই ওজন খুব বেশি হয় তাদের যকৃতে চর্বি জমা হয়।

 ডায়াবেটিস।

 অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড গ্রহণ।

 শৃঙ্খলাহীন জীবনযাপন।

 ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

 থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা।

করণীয়

ফ্যাটি লিভার রোগে ডাক্তারের পরামর্শমতো ওষুধ তো গ্রহণ করতেই হবে, সেই সঙ্গে জীবনযাত্রায় নিয়ন্ত্রণ আনা অধিক জরুরি।

 অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে। ফ্যাটি লিভার আছে এমন ব্যক্তিরা ৭-১০ শতাংশ ওজন কমাতে পারলেই অনেকটা ভালো হয়ে ওঠেন।

 অতিরিক্ত শর্করা বর্জনীয়। সরল শর্করার বদলে জটিল শর্করা গ্রহণ করতে হবে।

 কোমলপানীয় ত্যাগ করতে হবে। সবুজ চা গ্রহণের অভ্যাস করা উচিত।

 তেল-মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

 ওমেগা-৩ তেলযুক্ত মাছ গ্রহণ করতে হবে। সামুদ্রিক মাছ লিভারের চর্বি শোষণে সহায়ক।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত