মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

উচ্চশিক্ষায় তীব্র হচ্ছে বৈষম্য

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৪৪ এএম

করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সম্মতি নিয়ে শর্তসাপেক্ষে অনলাইনে ক্লাস এবং পরীক্ষা চালু রাখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এতে করে গত মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অন্তত ২-৪টি সেমিস্টার পার করে ফেলেছেন। অন্যদিকে অনলাইনে ক্লাস চালু থাকলেও পরীক্ষা না হওয়ায় একই সেশনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি সেমিস্টারও পার হয়নি। ফলাফল হিসেবে বেসরকারি ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে। যদিও খোদ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই তাদের অনলাইন পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছেন, সেমিস্টার ফি হাতিয়ে নিতেই মানহীন পরীক্ষার আয়োজন করছে কর্র্তৃপক্ষ। আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষ বলছে, মানহীন পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের তাড়াহুড়া করে উত্তীর্ণ করতে চায় না তারা। এ পরিস্থিতিতে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে এলেও মানসম্মত সফটওয়্যার যাচাই-বাছাই করতে কমিটি গঠন করেছে ইউজিসি।

এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়েছেন সবচেয়ে বড় গ্যাঁড়াকলে। এমনিতেই এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই সেশনজটের ভয়াবহ চক্রে আটকে আছেন, এর ওপর আবার করোনার কারণে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত। এসব শিক্ষার্থী সরকারি চাকরির বয়স ৩০ থাকতে থাকতে স্নাতকোত্তর শেষ করতে পারবেন কি-না সেই শঙ্কায় দিন পার করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বেসরকারিতে পরীক্ষা সঠিক মানে হচ্ছে কি-না এটা খেয়াল রাখা যেমন জরুরি, তেমনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষের উচিত মান ঠিক রেখে অনলাইনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। না হলে বৈষম্য বাড়ার পাশাপাশি গোটা শিক্ষাব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনার প্রার্দুভাব দেখা দেওয়ার পর গত মার্চ মাসে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ রাখে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এভাবে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর দেশের প্রায় সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ই অনলাইনে ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, উপস্থিতি, টার্মপেপার এবং পরীক্ষা নেওয়া শুরু করলে ইউজিসি তা বন্ধের নির্দেশ দেয়। যদিও পরে শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি মেলে। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র ক্লাস কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

উচ্চশিক্ষায় তীব্র হচ্ছে বৈষম্য তবে খোদ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই তাদের অনলাইন পরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, সেমিস্টার ফি হাতিয়ে নিতেই মানহীন পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অনলাইন ক্লাস এবং পরীক্ষার নামে রীতিমতো প্রহসন চলছে। অনলাইনে শিক্ষকরা অ্যাসাইনমেন্ট দিচ্ছেন, সব শিক্ষার্থী সেই অ্যাসাইনমেন্ট কমপ্লিট করে সাবমিট করছেন। আবার পরীক্ষার নামে যা হচ্ছে তা রীতিমতো প্রহসন। কারণ দু-একটি প্রশ্ন করেই পরীক্ষার মার্কিং করছেন শিক্ষকরা। এতগুলো শিক্ষার্থীর ক্লাস এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া এতটা সহজ নয়। ফলে কিছুই শিখছি না আমরা। অথচ একটার পর একটা সেমিস্টার শেষ হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, যারা গ্রামের দিকে থাকেন তারা সবাই অনলাইন ক্লাসে অংশ নিতে পারেন না, কারণ গ্রামের দিকে অনেকেরই ইন্টারনেট স্পিড ভালো না।’

এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ সেমিস্টার শেষ করছে শুধুমাত্র সেমিস্টার ফি নেওয়ার জন্য। এছাড়া আর অন্য কোনো কারণই নেই। সেমিস্টার শেষ হচ্ছে, কিন্তু আমরা কিছুই শিখছি না। এই হলো আমাদের লেখাপড়ার মান।’

অনলাইনে শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিলেও এ কার্যক্রম তদারকির কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই কার্যক্রমটি তদারকি করার ব্যবস্থা এখনো নেওয়া হয়নি। তবে কোনো শিক্ষার্থী যদি আমাদের পরীক্ষার মান নিয়ে অভিযোগ জানায়, তাহলে আমরা সেটা দেখব।’

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম চললেও অনলাইনে কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এতে করে প্রাইভেটের তুলনায় তারা পিছিয়ে পড়ছেন উল্লেখ করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা একই বর্ষের শিক্ষার্থী হয়েও প্রাইভেটের শিক্ষার্থীরা আমাদের চেয়েও দুই-তিন সেমিস্টার এগিয়ে গেছে, অথচ আমরা একই সেমিস্টারে পড়ে আছি। এতে চাকরির পরীক্ষা দেওয়ার জন্য দ্রুতই উপযুক্ত হয়ে যাবে তারা। এভাবে বৈষম্য তো বাড়ছেই, সঙ্গে সেশনজটও বাড়বে ভয়াবহ রকমের।’

এই বৈষম্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, ‘এক অর্থে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও অনলাইনে পরীক্ষা শুরুর বিষয়ে চেষ্টা করছি। উপযুক্ত সফটওয়্যার নিয়ে পর্যালোচনা চলছে, যে সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পরীক্ষা নিয়ে সেমিস্টার শেষ করা যায়। কারণ যা কিছুই করা হোক না কেন, আমরা শিক্ষার মানের দিকটা সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে চাই।’

সেশনজটের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসির এই সদস্য বলেন, ‘যদি করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তাহলে সেশনজট থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচানো সম্ভব হবে। ছুটি কমিয়ে, সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আপাতত এভাবেই চিন্তাভাবনা করছে।’

পরীক্ষা না নিলে সেশনজট বাড়বে, সেক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে সেশনজট কমাবে তা জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল দেশ রূপান্তকে বলেন, ‘আমাদের অনলাইন ক্লাস চলমান আছে। শিক্ষার্থীরা যাতে বড় ধরনের সেশনজটে না পড়ে সেজন্য প্রতিষ্ঠান খুললে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে।’

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় না পারায় সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এতদিন হয়ে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইনে পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারল না। আমি মনে করি এটা আমাদের ব্যর্থতা। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিচ্ছে এটাকে সাধুবাদ জানালেও পরীক্ষার মান ঠিক রাখতে পারছে কি-না সেটাও খেয়াল রাখা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে কেউ তো জানে না। ফলে দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পড়িয়েই গেলেন কিন্তু পরীক্ষা নিলেন না, তাহলে তো হবে না।’

সবচেয়ে বড় গ্যাঁড়াকলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাবি অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা : একসময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের সেশনজট থাকলেও ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ চালু করে তা অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকায় আবারও ভয়াবহ সেশনজটের মুখে পড়তে যাচ্ছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার সময়ে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। কয়েকটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর হঠাৎই সেসব পরীক্ষা স্থগিত হয়ে যায়। এখন পর্যন্ত বাকি পরীক্ষাগুলো আয়োজন সম্ভব হয়নি। এই সেশনের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে একের পর এক। স্নাতকের পরীক্ষা না হওয়ায় এবং ফলাফল সময়মতো প্রকাশ না হওয়ায় সেসব নিয়োগ পরীক্ষায় তারা অংশ নিতে পারছেন না। সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের ২ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রাথমিক, মাধ্যমিক এমনকি উচ্চমাধ্যমিকের মতো পরীক্ষা না নিয়ে ভিন্ন পদ্ধতিতে (অটো প্রমোশন) ফলপ্রকাশ করে চাকরির পরীক্ষায় তাদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

কিন্তু এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘স্নাতক (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষায় অটো প্রমোশনের সুযোগ নেই। এভাবে সনদ দিলে তা শিক্ষার্থীদেরও খুব একটা কাজে আসবে না। যেহেতু পরীক্ষার সব প্রস্তুতি নেওয়াই আছে, সে ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরপর অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো দ্রুত শেষ করা হবে। আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হবে।’

এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ডিগ্রি এবং স্নাতক পাস করা শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করার সুযোগ পেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৭ কলেজের একই বর্ষের দুই-একটি বিভাগের শিক্ষার্থী ছাড়া বাকি সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। এ ছাড়া ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের অনেক শিক্ষার্থী মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছেন, কিন্তু সেগুলোর ফলাফল প্রকাশ হয়নি। এ রকম লক্ষাধিক শিক্ষার্থী ফের সেশনজটে পড়ার শঙ্কায় আছেন। এই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়ে প্রায় ছয় বছর লেগেছে তাদের অনার্স শেষ করতে। আর গত বছরের শেষদিকে মাস্টার্সে ভর্তি হলেও করোনার কারণে অগ্রগতি নেই। অন্যদিকে করোনায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধীরে ধীরে অনলাইন ক্লাসের আওতায় আসে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে সমন্বিত কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় অন্যান্য ব্যাচের শিক্ষার্থীরাও বিপাকে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতি পড়াশোনা শেষ করে ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে হতাশ অধিভুক্ত এসব শিক্ষার্থী।

করোনাকালীন সংকটের বিষয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আশরাফ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনার মধ্যে অনলাইন ক্লাস বা পরীক্ষার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো নির্দেশনা পাইনি। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ খুব দ্রুত নিশ্চয়ই কোনো নির্দেশনা দেবে।’

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সংকট সমাধানে নানামুখী প্রয়াস চালাচ্ছি আমরা। সবার জন্য একই সিদ্ধান্ত হচ্ছে। তবে বাস্তবতা সবাইকে মানতে হবে। গোটা বিশ্বেই শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ঢাবির অধিভুক্ত শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলোও আমরা উপলব্ধি করছি। এটা ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত