রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ফের মৃত্যুতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৬ এএম

মৃত্যু কমলেও আবারও বাড়ছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৯ জন। আগের দিনের তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি। এ নিয়ে মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২৩ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

তবে আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। সবশেষ দিনে বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৭ হাজার ৭১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৪৫ জন কমেছে। ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত বিশ্বে ৪৭ লাখ ৯৬ হাজার ৪০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দৈনিক মৃত্যুতে এরপরই রাশিয়া, ব্রাজিল ও মেক্সিকোর অবস্থান।

যুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯০১ এবং মারা গেছে ১ হাজার ৮০৮ জন। চলমান মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে এ পর্যন্ত ৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৪ হাজার ৪০৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৩ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৭ জনের মৃত্যুর বিপরীতে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে ২৩ হাজার ৮৮৮ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭৫ লাখ ১১ হাজার ২৬ এবং মারা গেছে ২ লাখ ৭ হাজার ২৫৫ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুতে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে ২৭ হাজার ৫২৭ জন। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত ২ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৭৩ এবং মারা গেছে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮০০ জন।

আক্রান্তে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারত মৃত্যুর তালিকায় রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২৮২ এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২৭ হাজার ৩০০ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৮ এবং মারা গেছে ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭২ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ইরানে ২৬৮ ও মেক্সিকোতে ৫৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ভাইরাসে দেশটিতে প্রথম মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে।

সংক্রমণ চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ইউরোপের কিছু দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশগুলোতে চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসা শুরু হয়। এর বিপরীতে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে ভারতসহ এশিয়ার কিছু দেশে। ভারত থেকে ছড়িয়ে পড়া ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের করোনা পরিস্থিতি ফের খারাপ হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত