শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

২৪ ঘণ্টায় ৫০ জেলায় কোনো মৃত্যু নেই

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৬ এএম

টানা চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশে নতুন রোগী শনাক্তের হার ১০ শতাংশের নিচে। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে দেশের বেশিরভাগ জেলায় দৈনিক শনাক্তের হার ছিল ১০ শতাংশের ওপরে থাকলেও গড় শনাক্তের হার ছিল ১০ শতাংশের ঘরে। তবে মাস শেষে এখন বেশিরভাগ জেলাতেই শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ হার ছিল ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এমনকি গতকাল শুক্রবারের হিসাব অনুসারে ১১ জেলায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি। এমনকি বাকি জেলাগুলোতে শনাক্তের হার খুবই কম। নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি এমন জেলাগুলো হলো মাদারীপুর, রাজবাড়ী, খাগড়াছড়ি, চাঁপাইনবাগঞ্জ, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, বরগুনা এবং সুনামগঞ্জ। ৬৪ জেলার মধ্যে ৫০ জেলায় কোনো মৃত্যু হয়নি। ১৪ জেলায় মারা গেছে ২১ জন। এদের একজন করে ৯ জেলায়, চার জেলায় দুজন করে এবং ঢাকা জেলায় চারজন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৮৪৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয় এবং ২১ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৮ জন। আর মোট মারা গেল ২৭ হাজার ৫৩১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৯৬০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৫ লাখ ১৬ হাজার ৯০১ জন।

ঢাকা বিভাগে মৃত্যু বেশি : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা (মহানগরসহ) বিভাগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এ দিন ঢাকা বিভাগে ৯ জনের মৃত্যু হয়। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন, খুলনা বিভাগে ৪ জন। এছাড়া রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছে। তবে রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে কোনো মৃত্যু হয়নি।

সিলেট বিভাগে নতুন রোগী কম : গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ বিভাগে নতুন শনাক্ত রোগী ১২ জন।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে৫৯৫ জন। এরপর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৭ জন। এছাড়া খুলনা বিভাগে ৪৯ জন, রাজশাহীতে ৪৬ জন, রংপুর বিভাগে ১৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন, বরিশাল বিভাগে ১৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারী মৃত্যু কম হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ১২ জন আর নারী ৯ জন। এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট পুরুষ মারা গেল ১৭ হাজার ৬৬৮ জন; যা মোট মৃত্যুর ৬৪ দশমিক ১৭ শতাংশ। নারী মারা গেল ৯ হাজার ৮৬৩ জন; যা মোট মৃত্যুর ৩৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪ ও ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪ জন রয়েছেন। মৃত ২১ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৭ এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৪ জন মারা যান।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত