বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন

কোভ্যাক্স থেকে আসবে ১৩ কোটি টিকা

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৪ এএম

আসছে ডিসেম্বরের মধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে কোভ্যাক্সের আওতায় দেশের ২০ ভাগ মানুষের জন্য এবং খুব অল্প সময়েই দেশের ৪০ ভাগ মানুষের জন্য টিকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি জানান, দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষের জন্য কোভ্যাক্স থেকে টিকা দেওয়ার কথা থাকলে তা বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সে হিসাবে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজের পরিবর্তে কোভ্যাক্স থেকে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টিকা পাবে বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি অন্যান্য মাধ্যম থেকেও টিকা কেনার কাজ চলবে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থানীয় সময় গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়াসুসের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বেশ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক আলোচনার প্রথম পর্যায়ে ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় দেশের ২০ শতাংশ মানুষের জন্য ভ্যাকসিন পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, দেশের জনসংখ্যা অনুযায়ী আমরা ৪০ শতাংশ মানুষের জন্য ভ্যাকসিন পাঠানোর অনুরোধ জানালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক পর্যায়ক্রমে দ্রুতই ৪০ শতাংশ মানুষের জন্য ভ্যাকসিন পাঠাতে সম্মত হয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় দেশের ২০ শতাংশ মানুষের জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া সম্ভব হবে। খুব অল্প সময়েই দেশের ৪০ শতাংশ মানুষের জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি অন্য মাধ্যম থেকেও আমাদের ভ্যাকসিন ক্রয়ের কাজটিও চলমান থাকবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটিতে বাংলাদেশেই ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য কারিগরি সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক। পাশাপাশি, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন টেস্টিং ক্যাপাসিটি অব দ্য ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করবেন বলেও জানিয়েছেন মহাপরিচালক।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে গত দেড় বছরে কভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশ কী কী উদ্যোগ নিয়েছে, তা তুলে ধরলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের কাছে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় ফাইজার ও মডার্নার ভ্যাকসিন আরও বেশি পরিমাণে পাওয়ার অনুরোধ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মহাপরিচালক বিষয়টিতে গুরুত্ব দেবেন বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত