সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

এক যুগ পর সুইসদের কাছে হার স্পেনের

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:২০ পিএম

স্পেনের একমাত্র বিশ্বকাপ জয় ২০১০ সালে। কিন্তু সেবার শুরুটা হয়েছিল স্পেনের সুইজারল্যান্ডের কাছে হার দিয়ে। ২৪ বারের দেখায় সেটিই ছিল একমাত্র হার স্প্যানিশদের। দুই যুগ পর সুইসদের কাছে আবার হারল স্পেন। শনিবার রাতে জারাগোজার মাঠে সুইসদের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে লুই এনরিকের দল। চার বছরের মধ্যে ঘরের মাঠে এটি স্পেনের প্রথম হার, ১৯ বছরে দ্বিতীয়।

এই হারে নেশন্স লিগের গতবারের রানার্সআপ দলের সেমিফাইনালে ওঠাই কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্রুপের শীর্ষে থেকে ঘরের মাঠে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে (১-২ গোল) যাওয়ায় পর্তুগালের পেছনে পড়েছে তারা। শনিবার চেক প্রজাতন্ত্রকে ৪-০ গোলে হারানো পর্তুগিজদের সঙ্গেই আগামীকাল শেষ ম্যাচ স্পেনের। ড্র করতে পারলেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠে যাবে। স্পেনকে উঠতে হলে জিততে হবে পর্তুগিজদের মাঠে।

শনিবার প্রাগে অনুষ্ঠিত খেলার ১৪ মিনিটে নাকে আঘাত পান পর্তুগিজ অধিনায়ক রোনালদো। শূন্যে থাকা বলে হেড দিতে লাফ দিয়েছিলেন তিনি। চেক গোলরক্ষক টমাস ভাসলিকও লাফিয়ে ওঠেন বল ধরতে। বল ক্লিয়ার করলেও তার হাত গিয়ে লাগে রোনালদোর নাকে। রক্তারক্তি অবস্থাতেই পেনাল্টির আবেদন করেছিলেন রোনালদো। তবে অফসাইডে থাকায় মেলেনি। মাঠেই প্রাথমিক শুশ্রƒষা শেষে পুরো ম্যাচই খেলেছেন তিনি।

ম্যাচের ৩৩ মিনিটে গোল করেন দালোত। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করেন ব্রুনো। প্রথমার্ধে রোনালদো তিনটি গোলের সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির ঠিক আগমুহূর্তে নিজেদের ডি-বক্সে রোনালদোর হাতে বল লাগলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি চেক। প্যাট্রিক শিকের স্পট কিক ক্রসবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। বিরতির পর ৫২ মিনিটে ফের ব্যবধান আরও বাড়ান দালোত। ৮২ মিনিটে রোনালদোর অ্যাসিস্টে জোড়া গোল করলে সহজ জয় নিশ্চিত হয় পর্তুগালের।

ওদিকে জারাগোজার মাঠে ম্যাচের ২১ মিনিটে ম্যানুয়েল আকাঞ্জির গোলে এগিয়ে যায় অতিথি সুইজারল্যান্ড। ৫৫ মিনিটে জর্দি আলবা সমতা ফেরান স্প্যানিশদের। কিন্তু তিন মিনিট পরই গোল করেন ব্রিল এমবোলো। শেষ পর্যন্ত ওই গোলেই ম্যাচ জেতে সুইসরা। ১৯ বারের দেখায় সুইজারল্যান্ডের কাছে দ্বিতীয় হার এটি স্পেনের। প্রথমটি ছিল ২০১০ বিশ্বকাপে গ্রুপের প্রথম ম্যাচে। পরে অবশ্য চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেনই। স্প্যানিশ কোচ লুইস এনরিখে বলেছেন, ‘আমরা এমন এক প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলেছি, যারা চাপ তৈরি করেছে, শারীরিকভাবে ছিল শক্তিশালী। তারা আমাদের নিজেদের খেলাটা খেলতে দেয়নি। দ্রুতই এসব শুধরে নিতে হবে। কারণ সামনে পর্তুগালে ফাইনাল। সেখানে গিয়ে আমাদের জিততে হবে। বিকল্প কিছু নেই।’ স্পেনের মাঠে প্রথম পর্বে ১-১ ড্র করেছিল পর্তুগাল।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত