বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

পরিবেশবান্ধব যন্ত্রাংশ আমদানি

৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৮ এএম

সবুজ বা পরিবেশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রাংশ আমদানি বা ক্রয় করতে রপ্তানি ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

শিল্পের জন্য নতুন গঠিত এ তহবিল থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে। এ ঋণের সুদহার হবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সবুজ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য রপ্তানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে টেকসই প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় মুদ্রায় গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিই) গঠন করা হয়েছে। এ তহবিল থেকে যোগ্য গ্রাহকদের মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশের আমদানিমূল্য পরিশোধের পর ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে।

তহবিলটির আকার হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। তহবিলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করা হবে। গ্রাহক পর্যায়ের সুদহার হবে ৫ শতাংশ আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পিএফআই থেকে আদায়যোগ্য সুদ হবে এক শতাংশ।

যে উদ্যোগের আওতায় সহজ হচ্ছে সন্ত্রাংশ আমদানি ও ক্রয় : শিল্প খাতে যেসব উদ্যোগে সবুজ ও পরিবাশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রাংশ আমদানি ও ক্রয় সহজ হলো তার মধ্যে রয়েছেÑ আর্দ্রকরণে পানি ব্যবহারের দক্ষতা, পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা ও পুনর্ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি, শক্তি দক্ষতা, তাপ ও তাপমাত্রা ব্যবস্থাপনা, বায়ু চলাচল ও প্রবাহ দক্ষতা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন উদ্যোগ। এ তহবিলের আওতায় একজন ঋণগ্রহীতার ঋণ বা বিনিয়োগ-মূলধন অনুপাত হবে সর্বোচ্চ ৭০:৩০। তবে কোনো একক ঋণগ্রহীতা এ তহবিলের আওতায় কোনোভাবেই ২০০ কোটি টাকার অধিক ঋণ সুবিধা পাবেন না।

রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংক নতুন ঘোষিত পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দিতে পারবে। তবে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণ ১০ শতাংশ কম হলে এই ঋণ বিতরণ করতে পারবে। পাশাপাশি একক গ্রাহক বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা সংক্রান্ত ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর নির্দেশনাসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত বিআরপিডি প্রজ্ঞাপন নং : ১/২০২২-এ বর্ণিত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় জারিকৃত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সব নীতিমালার পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত