বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

উন্মুক্ত রেলক্রসিংয়ে পর্যটকের ঝুঁকি

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৫৮ পিএম

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে চলে গেছে সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। পর্যটকদের সেই রেলপথ পার হয়েই বনের ভেতর ঢুকতে হয়। কিন্তু রেলক্রসিংয়ে কোনো ব্যারিকেড না দেওয়ায় ট্রেন চলাচলের সময় পর্যটকদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিশেষ করে সপ্তাহের ছুটির দুদিন শুক্র ও শনিবার লাউয়াছড়ায় পর্যটকের ব্যাপক ভিড় থাকে। এসময় বেশি ঝুঁকি তৈরি হয়।

সরেজমিনে গতকাল শুক্রবার সকালে লাউয়াছড়ায় দেখা যায়, দুর্ঘটনায় হতাহতের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বেপরোয়া হয়ে কিছু পর্যটক রেললাইনের ওপর দিয়ে দ্রুত হেঁটে ও দৌড়ে পার হচ্ছেন। বনের ভেতরে রেলক্রসিংয়ে ব্যারিকেডের ব্যবস্থা থাকলেও তা ব্যবহার করা হয়নি। সেখানে কোনো গেটম্যানকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি, তার রুমে তালা দেওয়া। ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন আসামাত্র পর্যটকরা উন্মুক্ত ক্রসিংয়ে রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেক শিশুকেও সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ক্রসিং পারাপার হওয়া অনেকে দ্রুত রেললাইন থেকে সরে দাঁড়ান।

পর্যটক সাদিকুর রহমান বলেন, ‘লাউয়াছড়ায় প্রতিবছরই আসা হয়। কিন্তু রেললাইনের ক্রসিংয়ের ব্যারিকেড দেওয়া হয় না কখনো। এটা আমাদের বাচ্চাদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।’

আরেক পর্যটক নাজমিন আক্তার বলেন, ‘শিশুদের জন্য রেলক্রসিংটা খুবই ঝুঁকির। হঠাৎ ট্রেনের হুইসেল শুনলে কোনোদিকে না তাকিয়েই শিশুরা দৌড় দেয়।’

মৌলভীবাজারের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিনই রেলক্রসিংয়ে গেটম্যান থাকে। কেউ কখনো অভিযোগ করেনি। তবে ছুটির দিনে যেন ব্যারিকেড দেওয়া হয় এবং বাড়তি সতর্কতা থাকে এ বিষয়ে তাদের বলা হবে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত