বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

অভিমত

থেমে যাওয়া সব প্রকল্প শুরু হবে

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:৪০ এএম

আইএমএফের ঋণের অর্থের ওপর নির্ভর করে থাকা যাবে না। ঋণের অর্থ ব্যবহার করে স্থায়ীভাবে আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে ঋণ নেওয়ার সুফল পাওয়া যাবে। না হলে ঋণ নিয়ে দায় বাড়বে। এটা মনে রাখতে হবে, আইএমএফ সেসব দেশকে ঋণ দেয় যারা ঋণ শোধ করার সক্ষমতা রাখে। আমাদের প্রতিবেশী অনেক দেশ ঋণ চেয়েছে তাদের কাছে । কিন্তু তারা ঋণ দিচ্ছে না। বাংলাদেশ পেয়েছে। এ বিচারে বলতে হবে বাংলাদেশের অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী। 

করোনা শেষ হতে না হতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সারা পৃথিবীর অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এলসি খুলতে সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। অতি প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেক প্রকল্পের কাজ শেষের পথে হলেও অর্থপ্রবাহ কম থাকায় থামিয়ে রাখা হয়েছে।

আমি মনে করি, আইএমএফের ঋণ আমাদের প্রকল্পগুলোর কাজ আবার শুরু করতে সহায়তা করবে। শিল্প খাতে কাঁচামাল আমদানিতে এলসি খুলতেও এ ঋণ সহায়তা করবে।

আইএমএফের সুপারিশ মতো অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো করা খুব জরুরি। কাজগুলো করা সরকারের একার পক্ষে কঠিন হবে। বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কারের কাজগুলো করতে হবে। তবেই ঋণের অর্থের সুফল দ্রুত আসবে। সারা পৃথিবীতেই ঋণ দেওয়া নেওয়া চলে। ঋণের অর্থের সঠিক ব্যবহার করা সম্ভব হলে অবশ্যই অর্থনীতিতে সুফল আসবে। সঠিক ব্যবহার করতে না পারলে ঋণ বোঝা হয়ে যাবে। 

আবদুস সালাম মুর্শেদি : বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত