বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মঙ্গলের মজার ছবি

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:০৮ এএম

মহাকাশে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে চাঁদের পরই মঙ্গলগ্রহ। মঙ্গল নিয়ে মাতামাতিতে এবার যুক্ত হলো লালগ্রহের অদ্ভুত কিছু ছবি। পৃথিবী থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত মঙ্গলগ্রহে পানির অস্তিত্ব খুঁজে পেতে সেখানে মার্স রিকনাইসেন্স অরবিটার নামের একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই যানটিতে যুক্ত আছে হাইরাইজ নামের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা। এই ক্যামেরায় ধরা পড়েছে অদ্ভুত এক ছবি। যেটি দেখতে অনেকটা ভালুকের মুখের মতো। গত ডিসেম্বরে ছবিটি তোলা হয়। 

মঙ্গলপৃষ্ঠে তোলা ফাটলবেষ্টিত বৃত্তাকার গঠনটি দেখতে একটি মাথার মতো। গঠনটির ভেতরে থাকা দুটি গর্তের দিকে তাকালে মনে হবে এগুলো চোখ। আর ভঙ্গুর একটি স্তম্ভ দেখতে নাকের মতো। খুব সম্ভবত এই স্তম্ভটি তৈরি হয়েছে আগ্নেয়গিরি অথবা কাদার মধ্যে ফাটল ধরার কারণে। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এ ক্যামেরাটি বল এরোস্পেসের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়। গত ২৫ জানুয়ারি অদ্ভুত এ ছবিটি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ।

এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে নাসার মহাকাশ পর্যবেক্ষণ যান সূর্যের একটি ছবি প্রকাশ করে। ওই ছবি দেখলে মনে হবে যেন সূর্য হাসছে। মূলত সৌরমুকুটের ঘন কালো দুটি গর্তের কারণে এমনটি দেখা গিয়েছিল। এছাড়া গত বছরের মার্চে মঙ্গলগ্রহে একটি কিউরিসিটি রোভার পাথরের একটি ছবি প্রকাশ করে। পাথরটির দিকে তাকালে মনে হবে এটি যেন সমুদ্র তলদেশের কিছু কিংবা একটি ফুল।

হাইরাইজ নামক ক্যামেরাটি ২০০৬ (শেষ পৃষ্ঠার পর) সাল থেকে মঙ্গলগ্রহের বিভিন্ন ছবি তুলে সেগুলো পৃথিবীতে পাঠাচ্ছে। ওই বছর মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ শুরু করে মার্স রিকনাইসেন্স অরবিটার। এরসঙ্গে যুক্ত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরাটি মঙ্গলপৃষ্ঠের ছবি তোলার জন্য বানানো হয়। এটি ৩ মিটার ছোট বস্তুরও ছবি তুলতে পারে। এই অরবিটার দক্ষিণ মেরুর ১৬৯ মাইল ওপর থেকে উত্তর মেরুর ২০০ মাইল ওপর দিয়ে প্রতি ১১২ মিনিটে একবার মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ করে। মহাকাশযানটিতে থাকা প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে নাসা মঙ্গলপৃষ্ঠ, সেখানকার আবহাওয়া এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো কীভাবে পরিবর্তিত হয় সে সম্পর্কে গবেষণা করছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত