রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ম্যানসিটি ছাড়ছেন না গার্দিওলা, উড়িয়ে দিলেন সব অভিযোগ

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:৪৩ এএম

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আগেও উঠেছে। তখন দলটির কোচ পেপ গার্দিওলা বলেছিলেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে পরদিনই তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। চার বছর ধরে তদন্তের পর এবার দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। তদন্তের তারা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

তাই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক গার্দিওলা আর সিটিতে থাকবেন তো? আজ উত্তরটা গার্দিওলা নিজেই দিয়েছেন। জানিয়ে দিয়েছেন, সিটি ছেড়ে কোথাও যাচ্ছেন না তিনি। স্প্যানিশ এই কোচের বিশ্বাস, আগেরবারের মতো এবারও সিটির বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

ক্লাবের এমন সময়ে গার্দিওলা স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন, বিপদের দিনে তিনি কোথাও যাচ্ছেন না। বরং অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন তিনি সিটিতে থাকতে চান, ‘আমি কোচের পদ থেকে কোথাও যাচ্ছি না। আমি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখনই সিটিতে বেশি থাকতে চাই। মাঝেমধ্যে আমার মনে সংশয় জাগত, কারণ সাত-আট বছর তো আর কম সময় নয়! কিন্তু এখন আমি কোথাও যেতে চাচ্ছি না। মানুষ বলে, তারা আমাকে মিথ্যা বলেছে। না, তারা মিথ্যা বলেনি। উয়েফায় কী হয়েছিল তাহলে? এ ঘটনাও এমনই। কেন আমি নিজেদের লোকদের বিশ্বাস না করে অন্য ক্লাবের প্রধান নির্বাহীদের বিশ্বাস করব?’

আর্থিক অনিয়মের কারণে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিটিকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে উয়েফা। যদিও ২০২০ সালের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত সিটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সঠিক নয় রায় দিয়ে উয়েফার সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেয়।

তবে এবার সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। গত সোমবার প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত শতাধিক আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। প্রথমত, অভিযোগ হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি বিজ্ঞাপনদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থের পরিমাণ দুর্নীতি করে বাড়িয়ে দেখিয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এসব অর্থ মালিকপক্ষের কাছ থেকে এসেছে, যা আর্থিক নীতির আওতায় পড়ে না। কিন্তু সিটি সেগুলোকে বিজ্ঞাপনদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ বলে চালিয়ে দিয়েছে। এছাড়া ক্লাব থেকে কোচদের বেতন কম দেখিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোচদের বেতন দেওয়া হয়েছে। এতে করে ক্লাবের পরিচালনা ব্যয় কম দেখানো গেছে।

এমন অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সিটিকে নিয়ে চারদিকে সমালোচনার ঝড় বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ট্রল করে সিটির প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা কেড়ে নেওয়ার কথাও বলেছেন।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত