রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

শহীদ বরকতের জন্মভিটায়

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০১:১৯ এএম

ভাষাশহীদ আবুল বরকত ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পরের বছর তৎকালীন পূর্ববাংলায় এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫১ সালে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করে এমএ শেষ পর্বের ছাত্র ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানার বাবলা গ্রামে তার জন্ম, ডাকনাম আবাই। শহীদ বরকত সম্পর্কে খুব কমই জানি। আমরা দুজন ২০১৮ সালে ভাষাশহীদ আবুল বরকত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য তার জন্মস্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা করি। ভাষার মাসকেই বেছে নিই। ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় বিমানে ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে কলকাতায় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বিমানবন্দরে পৌঁছাই দুপুর ১২টায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সিতে কলকাতার চিতপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাই দেড়টা নাগাদ। আমাদের গন্তব্য মুর্শিদাবাদের বহরমপুর। কলকাতা থেকে বহরমপুরের দূরত্ব ২০০ কিমি। সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার ভ্রমণ। ট্রেনের নাম ‘ধনধান্যে’। বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ট্রেন ছাড়ল। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। ট্রেন ও স্টেশনের পর স্টেশন অতিক্রম করে এগোতে লাগল। মাঝেমধ্যে পরিচিত জায়গার নাম চোখে পড়ায় যেন শব্দদূষণের যন্ত্রণা কিছুটা লাঘব হলো। যেমন বারাসাত, রানাঘাট, পলাশী, হুগলী, কৃষ্ণনগর প্রভৃতি। রাত ৯টা বাজার কয়েক মিনিট আগে আমরা বহরমপুর স্টেশনে নামলাম। ‘সোনার বাংলা’ হোটেলে উঠলাম।

৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ২০১৮। সকাল ৮টায় ভাষাশহীদ বরকতের নিজগ্রাম বাবলার উদ্দেশে ট্যাক্সিতে রওনা হলাম। শীতের সকাল। শহরের গন্ডি পেরোতেই চারদিকে ঘনকুয়াশা, ডানে-বামে কিছু দেখা যায় না। শহরের বাইরে রঞ্জিত সার্ভিস পেট্রলপাম্প স্টেশন পার হয়ে সামনের মোড় থেকে বামদিকে বাদশাহী রোড ধরে সালার থানা। সালারের বাসিন্দা বরকতের চাচাতো ভাই মানিক মিয়ার ছেলের ঘরের নাতি দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া সামিন। আমাদের অভ্যর্থনা জানাতে সালার ডিগ্রি কলেজের সামনের মোড়ে অবস্থান করছে। সামিন শহীদ বরকতের তৃতীয় প্রজন্মের সর্বকনিষ্ঠ বংশধর। সামিনদের বাসায় আমাদের প্রথম বিরতি। ঘরে ঢুকতেই দেখা হলো কোটপরা ছয় ফুটের বেশি লম্বা সত্তরোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের সঙ্গে। চেয়ারে বসা। বুঝতে বাকি রইল না, উনিই বরকতের চাচাতো ভাই ‘মানিক মিয়া’। বরকতকে স্বচক্ষে দেখা একমাত্র জীবিত ব্যক্তি। তার কিছু ছবি তোলা ও বক্তব্য রেকর্ড করার কাজটি দ্রুত সেরে নেওয়া হলো। দুপুর ১২টা বেজে গেছে প্রায়। আমরা দ্রুত সামিন ও মানিক মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বরকতের জন্মভূমি বাবলা গ্রামের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লাম। গাড়িতে মানিক মিয়ার সঙ্গে অনেক কথা হলো বরকত সম্পর্কে। বয়সের ভারে তিনি অনেকটাই ন্যুব্জ, অসুস্থও। বরকতের সঙ্গে তার সর্বশেষ দেখা হয় তার ৯ বছর বয়সে। এর বেশি স্মৃতি তার মনে নেই।

গ্রামের অপ্রশস্ত পথ ধরে এগোলাম। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চলার পর বাবলা গ্রামে ‘বরকত ভবন’-এর সামনে গাড়ি থামল। আমরা দুজনই খুব পুলকিত। শহীদ বরকতের অনাবিষ্কৃত ইতিহাসের দোরগোড়ায় আমরা এসে গেছি। গাড়ি থেকে নেমে তাকিয়ে দেখি রাস্তার পূর্ব পাশে ‘বরকত ভবন’ নামাঙ্কিত ডুপ্লেক্স ভবন। ভবনের গায়ে লেখা ‘শহীদ আবুল বরকত কেন্দ্র’, স্থাপিত ২০০৫-০৬, বাবলা, রেজি. নং ঝ/১খ/১৭২০৩.১। ঠিক সামনেই রাস্তার দক্ষিণ পাশে ‘শহীদ আবুল বরকত স্মৃতি সংঘ’, স্থাপিত-১৯৯৬, রেজি. নং-ঝ/১খ/১৪১৫০ বাবলা (বরকত নগর); পো. তালিবপুর, জেলা-মুর্শিদাবাদ। ছোট একতলা ভবন। ভবনটির সামনেই একটি ছোট্ট স্ট্যান্ডের ওপর শহীদ বরকতের সোনালি রঙের আবক্ষ মূর্তি। নিচে নেমপ্লেটে লেখা আছে ‘ভাষাশহীদ, শহীদ আবুল বরকত, আবির্ভাব : ১৬ই জুন ১৯২৭, শহীদ : ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২, উদ্বোধক মাননীয় সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি, শ্রী অধীর রঞ্জন চৌধুরী, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।’

আশপাশের বাড়ির লোকজন আমাদের আগমন টের পেয়ে কাছে আসতে শুরু করেছে। অনুরোধ করতেই বরকত ভবনটি খুলে দেওয়া হলো। ডুপ্লেক্স ভবন। ভেতরে একাধিক কক্ষ রয়েছে। প্রতিটি কক্ষের সামনে ভাষাশহীদদের নামফলক লাগানো। (১) ভাষাশহীদ সালাম কক্ষ; (২) ভাষাশহীদ রফিক কক্ষ; (৩) ভাষাশহীদ বরকত লাইব্রেরি কক্ষ। ভবনে একটি বড় হলরুম আছে। জানা গেল এখানে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারিতে শহীদ বরকতের সম্মানে অনুষ্ঠান হয়। রাস্তার উত্তর পাশে বরকত ভবনের ঠিক উল্টো পাশে শহীদ বরকতদের বসতঘর। বাড়িটি অন্য লোকের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল। তিনি সেখানে দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। কিন্তু বরকতদের ইটের একতলা ঘরটি, যার দক্ষিণ পাশে দুটি জানালা আছে, স্মৃতি হিসেবে আগের আকৃতিতে রেখে দিয়েছেন। রাস্তার দক্ষিণ পাশে একটি বড় দীঘি আছে। এলাকার লোকজনের ভাষ্য, এ দীঘিটি বরকতের পরিবারের। শহীদ বরকতের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ পূর্বদিকে রাস্তা ঘেঁষে রয়েছে ‘শহীদ আবুল বরকত স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয়’।

শহীদ আবুল বরকত এ বিদ্যালয়েই প্রাথমিক পাঠ নিয়েছেন। তখন নাম ছিল বাবলা বহড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয় ভবনটি দোতলা। ভবনের মাঝখানে অপ্রশস্ত সিঁড়ি, এর দুদিকে ছোট ছোট ক্লাসরুম। কোনো শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীদের বসার কোনো বেঞ্চের অস্তিত্ব পেলাম না। শিক্ষার্থীরা মেঝেতে বসেই তাদের শিক্ষা কার্যক্রম সারছে। বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক খাবারের মেন্যু টানানো আছে। জানা গেল, খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় দুপুরের খাবার স্কুলেই মেন্যু অনুযায়ী রান্না হয় এবং শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। বাবলা গ্রামের এই বিদ্যালয়টির দৈন্যদশা আমাদের ব্যথিত করেছে।

আমরা আবার বরকতের বাড়ির আঙিনায় ফিরে এলাম। কথা হয় বরকতের পড়শি, সম্পর্কে ভাইপো মো. আবদুল্লাহর সঙ্গে। তার বয়স পঞ্চাশের বেশি। তার ভাষ্য, বরকতের সম্পত্তি বাড়িঘর ও ধানিজমি মিলে প্রায় ৪০ বিঘা। সবটাই ওয়াকফ করা আছে আবুল বরকত স্মৃতি সংঘের নামে। এ সম্পত্তির আয় থেকেই প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি পালন, বরকতের নামে অনুষ্ঠান করা এবং বরকতসংক্রান্ত কাজে ব্যয় করার কথা। কিন্তু বরকতের আত্মীয়স্বজনরা খোঁজখবর নেয় না। তাই প্রায় সব সম্পত্তিই দখলদারদের হাতে চলে গেছে। এরপর মিনিট দশেক খোঁজার পর শহীদ আবুল বরকত নামে একটি স্কুল ভবন পাওয়া গেল। বিদ্যালয়টির নাম ‘শহীদ আবু বরকত শিশু শিক্ষা’, স্থাপিত : ২০০৩, গ্রাম : বাবলা, পো. : তালিবপুর, জেলা : মুর্শিদাবাদ, সৌজন্যে : ভরতপুর ১নং পঞ্চায়েত সমিতি। আমরা বাংলাদেশ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আবুল বরকত স্মৃতি জাদুঘর ও সংগ্রহশালার জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছি শুনে প্রধান শিক্ষক খুব খুশি হলেন। তার অনুমতি নিয়ে ক্লাস পরিদর্শনে গেলাম। এখানেও ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের বসার কোনো বেঞ্চ নেই। সবাই মাটিতে বসেই শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। বাবলা গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে পড়লাম তালিবপুর হাই স্কুলের উদ্দেশ্যে। বাবলা থেকে তালিবপুর গাড়িতে প্রায় ২০ মিনিট। তালিবপুর হাই স্কুলে পৌঁছে টের পেলাম সেদিন শনিবার তাই স্কুল বন্ধ। কিছু ছবি তোলা ছাড়া আর কিছু করতে পারলাম না। এ নিয়ে যখন আলোচনা করছি তখন সামিন জানাল, সালার থানার পাশে শহীদ আবুল বরকতের স্মরণে একটি পার্ক তৈরি করা হয়েছে।

ফুলের টব ও উন্মুক্ত চত্বরে সাজানো পার্ক। আমরা কয়েকটি ছবি তুললাম। পার্কে ঢুকতেই গেটের সামনে ডানপাশে শহীদ বরকতের আবক্ষ মূর্তি। মূর্তির নিচে লেখা : ভাষা আন্দোলনের শহীদ, আবুল বরকত সাহেব, জন্ম ১৬ জুন ১৯২৭, মৃত্যু ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।’ বেদির পাশেই ডানদিকে শ্বেতপাথরের ওপর খোদাই করে লেখা : ‘বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবুল বরকত সাহেবের স্মৃতি উদ্দেশ্য সালার শিশু উদ্যান-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করিলেন ড. রাজেশ কুমার আইপিএস মাননীয় পুলিশ সুপার মুর্শিদাবাদ ৮ই জুলাই ২০০০।’ সালার থানায় এবং অন্যান্য স্থানেও মানিক মিয়ার বেশ কদর। বরকতের ভাই হিসেবে সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে।

দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা ২টা ছুঁই ছুঁই। এখনো আমাদের অনেক অনুসন্ধান বাকি। বরকতের আদি বাড়ি ও বহরমপুরে তার কলেজে যেতে হবে। চা-নাশতা সেরে আমরা মানিক মিয়াকে নিয়ে তার আদি বাড়ি ভরতপুর থানার কিসাতপুর গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিলাম। গাড়িতে মানিক মিয়ার সঙ্গে অনেক কথাই হলো। জানা গেল, বরকতের আদি গ্রাম কিসাতপুর। বাবলা তার মামার বাড়ি। তার বাবা শামসুজ্জামান ভোলা মিয়া বিয়ের পর বাবলায় চলে যায়। পরে কিসাতপুরের জায়গা-জমি বিক্রি করে বাবলায় জমি কিনে বাস শুরু করেন। পরে বরকত পড়ালেখার জন্য ঢাকায় তার মামার কাছে চলে যান। এখন বাবলা গ্রামে বরকতের পরিবারের কেউ থাকে না।

সামিন সালারে থেকে যায়। শুধু মানিক মিয়াকে নিয়ে আমরা চলে এসেছিলাম। অনেকটা পথ পেরিয়ে প্রায় দুপুর ৩টা নাগাদ আমরা কিসাতপুর হাজির হয়েছি। এ বাড়িতে মানিক মিয়া তার দুই ছেলে ও নাতি-নাতনিসহ থাকেন। মাটির দোতলা ঘর। বোঝা যাচ্ছে অসচ্ছল পরিবার। আমাদের যে ঘরে বসতে দিল তাতে একটা চৌকি, কাঠের আলনা ও ভাঙাচোরা একটা শোকেস। এখান থেকে বিদায় নিয়ে আমরা বহরমপুরের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লাম। গন্তব্য বহরমপুরের কৃষ্ণনাথ কলেজ। হোটেলে পৌঁছতে অন্ধকার হয়ে গেল। কাল সকালে অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনাথ কলেজে বরকতের স্মৃতিসন্ধান করব।

পরদিন সকাল ৮টার মধ্যে ড. দেবরাজ চক্রবর্তীসহ হাজির হলাম কৃষ্ণনাথ কলেজে। ভাগ্য খারাপ, রোববার থাকায় কলেজ ছুটি। গার্ডের তত্ত্বাবধানে কৃষ্ণনাথ কলেজ ঘুরে দেখলাম। মেইন গেটের পর বামদিকে খোলা আকাশের নিচে বরকতের ছোট আবক্ষ মূর্তি। সেখানে লেখা ‘বরকত আমাদের ছাত্র, আমাদের গর্ব আবুল বরকতের স্মরণে

মাতৃভাষার জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি উৎসর্গ করা হল। ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০১১।’ বরকত এখান থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সিকিউরিটি গার্ড আমাদের একটা কক্ষ তালা খুলে দেখাল। কক্ষটি বরকতের নামে উৎসর্গ করা। ওই ভবনের নিচে একটা মাঝারি সাইজের অডিটরিয়াম। দরজার ওপরে ইংরেজি ও বাংলায় লেখা ‘শহীদ বরকত কক্ষ’। এরপর আমরা মুর্শিদাবাদের দিকে রওনা দিলাম। একসময়ের সুবে বাংলার রাজধানী। পেছনে রেখে এলাম বরকতের সব স্মৃতি।

আমাদের মন খারাপ। বুকভরা আশা নিয়ে পরিবার-পরিজন, জন্মভূমি ছেড়ে বরকত ঢাকায় এসেছিলেন। বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় প্রাণ উৎসর্গ করলেন। তার আত্মত্যাগে আমরা বাংলা ভাষার মর্যাদা পেয়েছি। কিন্তু তিনি তা দেখে যেতে পারেননি।

শহীদ বরকতের নামে বাংলাদেশেও রয়েছে বিভিন্ন স্মারক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষাশহীদ আবুল বরকত জাদুঘর ও সংগ্রহশালা ২০১২ সালে স্থাপিত হয়েছে। গাজীপুরে বরকত ভবন নামে একটি বাড়ি আছে। গাজীপুরে রয়েছে শহীদ আবুল বরকত স্টেডিয়াম। ভাষা আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতস্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন।

লেখক : আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, সভাপতি, ইতিহাস বিভাগ ও পরিচালক, ভাষাশহীদ আবুল বরকত জাদুঘর ও সংগ্রহশালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া, উপাধ্যক্ষ, ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজ, খিলগাঁও

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত