রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সবাইকে ছাপিয়ে সেরা সমর্থক হলেন যে আর্জেন্টাইন

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:০৭ পিএম

ফুটবল স্টেডিয়ামে জাপানি সমর্থকদের অবদান ব্যতিক্রম। সবাই যায় গ্যালারি নোংরা করে, আর তারা ফিরে পরিষ্কার করে। হোটেলে পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালিয়ে আলোচনায় আসেন তারা। তাই শ্রেষ্ঠ সমর্থকের দাবি তারা করতেই পারেন।

অন্যদিকে সৌদি আরব থেকে ১১৬০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কাতার গিয়েছিলেন আব্দুল্লাহ আল সুলমি। নিজ দেশের ফুটবলারদের বিশ্বকাপে অনুপ্রাণিত করাই ছিল তার লক্ষ্য। তিনিও সেরা সমর্থকের দাবিদার। তবে উভয়কেই ছাপিয়ে গেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থক কার্লোস পাসকুয়েল।

প্যারিসে ফিফা দ্য বেস্ট অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেরা সমর্থকের মনোনয়ন পাওয়া তিন দেশ। পরবর্তীতে নাম ঘোষণায় জানা যায়, সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পুরষ্কারটি বাগিয়েছেন আলবিসেলেস্তা সমর্থক৷ দশকের পর দশক ফুটবলারদের সমর্থন দিয়ে যাওয়া পাসকুয়েল তার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

আর্জেন্টিনার এই সমর্থকের ডাকনাম তুলা। ভালোবেসে এই নামেই তাকে সম্বোধন করেন সবাই। আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই গ্যালারিতে নিশ্চিত হাজির থাকবেন তুলা।

১৯৪০ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্মগ্রহণ করেন তুলা। এরপর নানা কারণে স্থান বদলালেও তিনি ছিলেন ফুটবলের সঙ্গে। যেখানেই গিয়েছেন, সেখানকার স্থানীয় ফুটবলকে আঁকড়ে ধরেছেন। জাতীয় ফুটবল দলকে সমর্থন দিতে সর্বপ্রথম ১৯৭৪ বিশ্বকাপের গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন তুলা। এভাবে দলের প্রতি তার নিবেদন দেখে ১৯৭১ সালে দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট তাকে একটি বাজ-ড্রাম উপহার দেন। যেটি হয়ে উঠেছিল গ্যালারিতে থাকা তুলার ট্রেডমার্ক।

কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে এক সাক্ষাৎকারে তুলা জানিয়েছিলেন, ‘জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ১৯৭৪ আসরে প্রথম কোনো বিশ্বকাপের মঞ্চে আমি উপস্থিত ছিলাম। সেজন্য আমি পাড়ি দিয়েছি ১৫ হাজার কিলোমিটার। সে সময় বিবিসি থেকে শুরু করে প্রতিটি গণমাধ্যমের খবরেও ছিলাম আমি। যার প্রতিটি কাটিং এখনো আমার সংগ্রহে রয়েছে।’

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত