মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নির্মাণের সাড়ে ৭ বছর পর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৩, ০৫:৩৮ পিএম

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘যারা এতিমদের সম্পদ রক্ষা করতে পারে না, তাদের হাতে এ দেশ নিরাপদ নয়। গয়েশ্বর রায়কে জিজ্ঞাসা করতে চাই, শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান কেন অস্বীকার করেন, পুরো বংলাদেশটাইতো তার অবদান’।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) হাতিয়ায় এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে, সকাল ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে হাতিয়া সরকারি কলেজ মাঠে অবতরণ করলে স্থানীয় সাংসদ আয়েশা ফেরদাউস ও উপজেলা আ.লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীর নের্তৃত্বে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সর্বস্তরের জনগণ মন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

মন্ত্রী নবনির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে পৌঁছে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং নির্মাণের সাড়ে সাত বছর পর ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দেশের ৪৭০ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে একনেকের বৈঠকে অনুমোদিত হয়। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় ১২২৩.৫৩ কোটি টাকা। হাতিয়া উপজেলায় প্রাক্কলিত ব্যয় ৩,০২,৪৯,৩৩৬ টাকা। হাতিয়া উপজেলায় প্রকল্পটি ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত হয় যার চুক্তি মূল্য ছিলো ৩৪৭,৭৭,৮৬৪ টাকা। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ২০ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মঞ্চে যুবলীগ সভাপতি মহিউদ্দিন মুহিনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা আ.লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুধী সমাবেশে স্থানীয় সাংসদ আয়েশা ফেরদাউস, সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ ও ভাইস চেয়ারম্যান কেফায়েত উল্যাহ, মুক্তিযুদ্ধকালীন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়ালী উল্লাহ, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বিনয় ভূষন দাস, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আলআমিন ও ছাত্রলীগ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়সার খসরু, হাতিয়া থানার ওসি আমির হোসেন, এএসপি (সার্কেল) আমান উল্যাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাকর্মী সমর্থক এবং স্থানীয় গণ্যমান্যব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে মন্ত্রী প্রবল ভাঙ্গন কবলিত নলচিরা ঘাট এলাকা পরিদশনে যান। মন্ত্রী ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও পানি সম্পদমন্ত্রীর সাথে আলাপ করবেন বলে আশ্বাস দেন। বিকেল তিনটায় তিনি হেলিকপ্টারযোগে হাতিয়া ত্যাগ করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত