সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ফল খেয়ে সুস্থ থাকুন

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৭ এএম

ব্যস্ত জীবনে দৌড়ঝাঁপ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে রোগ, অসুস্থতা আর ক্লান্তি। এর সঙ্গে কারও কোলেস্টেরল, কারও ওবেসিটির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। আর হাই ব্লাডপ্রেশার বা সুগারের সমস্যা তো এখন ঘরে ঘরে। প্রতিদিনকার ডায়েটে নানা রকম মৌসুমি ফল রাখলে, তা আপনাকে দূরে রাখতে পারে অনেক রকম সমস্যা থেকে। ফলের উপাদানের মধ্যে ব্যাড কোলেস্টেরল থাকে না, যা থেকে ব্লাডপ্রেশার বা হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাংস বা ডেয়ারি প্রোডাক্টের মতো প্রাণিজ প্রোটিনে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে। যাদের বংশগত হার্টের রোগ আছে, বা যারা ওবেসিটিগত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ডায়েটে রোজ একটা যে কোনো ফল রাখা খুব জরুরি। সে ক্ষেত্রে লেবুজাতীয় ফল ছাড়াও বিভিন্ন রঙের আলাদা আলাদা ফল রাখতে পারেন। আর বিভিন্ন  মৌসুমে যে বিশেষ ফল মেলে, সেগুলো অবশ্যই ডায়েটে রাখুন। এতে আবহাওয়ার বদলের সঙ্গে লড়ার ইমিউনিটি পাবেন। সঙ্গে একটু স্বাদ বদলও হবে। ফলের আরেক নাম ‘ব্রেন ফুয়েল’। মস্তিষ্ককে সজীব ও কর্মক্ষম রাখতে ফলের জুড়ি নেই। ফলের উপাদানের মধ্যে অন্যতম উপাদান ন্যাচারাল সুগার, যা আমাদের মনে রাখার এবং চিন্তা করার ক্ষমতা বেশ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। ন্যাচারাল ফাইবার ফলের এক বিশেষ উপাদান। দিনে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফল খেলে তবেই শরীর তার প্রয়োজনীয় ফাইবার পেতে পারে। ফাইবারের সাহায্যে ওবেসিটি, হার্টের অসুখ, ব্লাড সুগার, কনস্টিপেশন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফল খেলে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট এবং টক্সিন ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। লেবুজাতীয় ফলের রস সকালবেলা ব্রেকফাস্টের সময় খেলে তা ডিটক্সিফিকেশনের কাজ করে।

ফল শরীরের এনার্জি সাপ্লাইও বাড়িয়ে দেয়। তাই ভারী মিল খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পরেই আবার হালকা খিদা অনুভব করলে ফল খেতেই পারেন। বডি টিস্যুর সঠিক বৃদ্ধি ও গঠনে সাহায্য করে ফল। এ ছাড়াও ভিটামিন সি-যুক্ত ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক পদার্থকে বাড়তে দেয় না। যারা নিয়মিত ফল খান, তারা প্যানিক অ্যাটাক, ডিপ্রেশন এবং অ্যাংজাইটির মতো সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারেন। ফল ব্রেনকে ফোকাসড রাখতেও সাহায্য করে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত