রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বুয়েটের ছাত্ররা যেন ছাত্র থাকে: জিএম কাদের 

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৪১ পিএম

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, শিক্ষার মান ঠিক রাখতে না পারলে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে কোনো লাভ হবে না। আমাদের অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আন্তর্জাতিকভাবে উন্নত ছিল। ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি বাদে আমাদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ডিপ্লোমাইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় যুব সংহতির পরিচিতি সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম মোহাম্মদ কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির শিক্ষার মান ভালো থাকুক এটা আমরা চাই। বুয়েটের শিক্ষার মান নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। বুয়েটের ছাত্ররা যেনো ছাত্র থাকে। বুয়েটে ছাত্র অবস্থায় আমি রাজনীতিবিদ হয়নি, পাশ করে রাজনীতিবিদ হয়েছি। সবার কাছে আহ্বান রাখছি, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে যেনো শিক্ষার পরিবেশ বজায় থাকে। 

তিনি বলেন, দেড় লাখ ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার ইতোমধ্যেই অকেজো হয়ে পড়েছে। এতে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। ১০ বছর মেয়াদি ক্রয়কৃত ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ৫ বছরেই শেষ। বাকি ৪০ হাজার ভোটিং মেশিনও অকেজো হওয়ার পথে। বেশির ভাগ ইভিএম-ই এখন অকেজো। শেষ পর্যন্ত ৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের অধিন কেনা ইভিএম সম্পদের বিলুপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, কক্সবাজারের মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আমদানি করা জার্মানির তৈরি দুটি পাইপ কাটারের দাম দেখানো হয়েছে ৯২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। একইভাবে জার্মান কোম্পানির দুটি হাতুড়ির দাম দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। এসব পণ্যের এমন অস্বাভাবিক দাম দেখে চালানটি আটকে দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। 

তারপর এসব পণ্য আমদানিকারক সিপিজিসিবিএল ও পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, শুধু এই দুটি পণ্য নয়, এই চালানের ১৯টি পণ্যই অযৌক্তিক উচ্চমূল্যে আমদানি করা হয়েছে। মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আনা এ চালানটির আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে ২ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বা ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৩ মার্কিন ডলার।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের দ্বিতীয় নিবাস গড়ায় নতুন করে উৎসাহ জোগাচ্ছে মালয়েশিয়া। মাঝে কড়াকড়ি করলেও এখন বিনিয়োগ টানতে 'মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম (এমএম২এইচ)' কর্মসূচির শর্ত শিথিল করছে দেশটির সরকার। গত ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় নিবাস গড়েছেন ৫৬ হাজার ৬৬ জন। এর মধ্যে ৩ হাজার ৬০৪ জন বাংলাদেশি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত