রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

হাভানা সিনড্রোমে রাশিয়ার হাত!

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের রহস্যজনক অসুস্থতায় ভোগার খবর গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। একে স্বাভাবিক কোনো ব্যাপার হিসেবে দেখতে নারাজ পশ্চিমা গণমাধ্যম ও তাত্ত্বিকরা। তারা এই রহস্যময় অনুস্থতার নাম দিয়েছে ‘হাভানা সিনড্রোম’। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি পশ্চিমা গণমাধ্যম এ নিয়ে একটি যৌথ অনুসন্ধানপর্ব শেষে দাবি করেছে, এর সঙ্গে রুশ গোয়েন্দাদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

জার্মানির ‘ডের স্পিয়েগেল’, ‘সিক্সটি মিনিটস’, যুক্তরাষ্ট্রের ‘সিবিএস’ এবং লাটভিয়াভিত্তিক স্বাধীন রুশ গণমাধ্যম ‘ইনসাইডার’-এর সম্মিলিত তদন্তের পর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। গত সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা হাভানা সিনড্রোমজনিত সমস্যাই দায়ী থাকতে পারে। তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। পশ্চিমা গণমাধ্যমে হাভানা সিনড্রোমসংক্রান্ত খবরগুলোয় বলা হয়, বক্তাক্ত নাক, মাথাব্যথা, স্মৃতিবিভ্রাট, অলসতা, দৃষ্টি ঝাপসা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যায় ভোগেন কূটনীতিকরা। ২০১৬ সালে কিউবা সফরকালে মার্কিন কূটনীতিকরা এ ধরনের সমস্যায় পড়েন। তখনই প্রথম আলোচনায় আসে এ ধরনের ঘটনা। কিউবার রাজধানী হাভানার সঙ্গে মিলিয়ে সমস্যাটির নামকরণ হয় হাভানা সিনড্রোম। যৌথ প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিপক্ষ শব্দকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা সোনিক কিংবা আল্ট্রাসোনিক অস্ত্রের মাধ্যমে দূর থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর আক্রমণ চালায়। এতে ওই ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করেন। মস্কোর গোয়েন্দা বাহিনীর বিশেষ শাখা ‘জিআরইউ ইউনিট ২৯১৫৫’-এ ধরনের আক্রমণ চালায়।

উল্লেখ্য, পশ্চিমাদের দাবি, বিশ্বের নানা প্রান্তে পশ্চিমা স্বার্থের বিরুদ্ধে গোপন অভিযান চালায় এই ইউনিট।

কিছু কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০১৬ সাল হাভানারও আগে, জার্মানিতে এই সমস্যা প্রথম দেখা যায়।

তবে এসব অভিযোগ পাত্তা দিচ্ছে না ক্রেমলিন। বিষয়টিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলছে রুশ কর্তৃপক্ষ। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ, ‘কেউ এ ধরনের অভিযোগের ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রমাণ দিতে পারবে না।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত