শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

স্মার্টওয়াচ কেনার আগে

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৭ এএম

দিন দিন বেড়েই চলেছে স্মার্টওয়াচের চাহিদা।  অ্যাপলের স্মার্টওয়াচের পাশাপাশি বাজারে আছে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের স্মার্টওয়াচ। অসংখ্য স্বাস্থ্য, স্পোর্টস এবং ওয়াচ ফেস ফিচারে ঠাসা এসব স্মার্টওয়াচ। সঙ্গে আছে জিপিএস এবং ব্লুটুথ কলিং ফিচার। স্মার্টওয়াচ কেনার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। অপারেটিং সিস্টেম : স্মার্টওয়াচ কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে এটি ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায় কি না এবং কোন অপারেটিং সিস্টেমে চলে, তা ঠিক করা।  অ্যাপল ওয়াচ আইফোনের সঙ্গে কাজ করে। এতে থাকে ওয়াচওএস। অন্যদিকে স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টওয়াচগুলো চলে টাইজেন ওএসে। গুগলের ওয়্যার ওএস ব্যবহৃত হয় ফসিল, এলজিসহ অন্যান্য ব্র্যান্ডের স্মার্টওয়াচে। ফিটবিটের স্মার্টওয়াচ অবশ্য অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন উভয়ই সমর্থন করে।

ক্যাপাসিটি : স্মার্টওয়াচ কেনার সময় অবশ্যই নিশ্চিত হন যে এটি আপনার স্মার্টফোনের সঙ্গে ব্লুটুথে কানেক্ট করা যাবে। স্যামসাং, গুগল বা অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত করা যায় এমন স্মার্টওয়াচ কিনুন।

ওয়াটারপ্রুফ কি না : স্মার্টওয়াচ কেনার সময় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি দেখা উচিত তা হচ্ছে স্মার্টওয়াচটি ওয়াটারপ্রুফ কি না। মিউজিক : অধিকাংশ স্মার্টওয়াচ গান সেভ করার সুবিধা দেয়। যে কারণে আপনি সহজেই ওয়্যারলেস ইয়ারফোন বা ইয়ারবাড ব্যবহার করে গান শুনতে পারবেন। যেসব স্মার্টওয়াচে মিউজিক স্টোরেজ নেই সেগুলোয় মিউজিক কন্ট্রোল সেটিংস থাকে। গান পরিবর্তনের জন্য আপনাকে বারবার ফোন বের করতে হবে না।

অ্যাপের সুবিধা : স্মার্টওয়াচের সঙ্গে কম্প্যাটিবল অ্যাপটি আপনার অভিজ্ঞতা অনেকটাই বদলে দিতে পারে। এখন যেসব স্মার্টওয়াচে ডবধৎঙঝ রয়েছে সেগুলোতে থার্ড পার্টি অ্যাপ সংযুক্ত করার সুবিধা রয়েছে। আইফোনে আপনি অত সুবিধা পাচ্ছেন না। অ্যান্ড্রয়েডে দামি স্মার্ট ওয়াচের ক্ষেত্রেও এই সুবিধা আছে।

এনএফসি : অনেক স্মার্টওয়াচে এনএফসি সুবিধা আছে, ফলে আপনি সহজেই মানিব্যাগ ছাড়াই কেনাকাটা করে বিল পরিশোধ করতে পারবেন। আপনার ক্রেডিট অথবা ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করার মাধ্যমে আপনি এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে একেক প্রতিষ্ঠানের স্মার্টওয়াচ একেক ধরনের পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে।

ব্যাটারি : ব্যাটারির বিষয়টি অনেকেই মাথায় রাখেন না। এটা একটি বড় ভুল। যেমন ধরুন গুগল ওয়াচের কথা। গুগল ওয়াচে অসাধারণ কিছু ফিচার আছে। কিন্তু এর ব্যাটারি তেমন ভালো না। আপনি যদি ফোন সংযুক্ত করে রাখেন তাহলে দিনে একবার চার্জ দিতেই হবে। সময়ের হিসাবে অনেক সময় দেখা যায় রাতেই এটিকে চার্জ দিতে হয়। কিন্তু আপনি স্লিপ ট্র্যাকিং করলে তা সম্ভব না।

দাম :  বাজেট যদি সাশ্রয়ী হয়, তবে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি অনেক ব্র্যান্ডের স্মার্টওয়াচ বাজারে পাওয়া যাবে। বাজেট যদি মাঝারি হয়, তবে ফিটবিট, ফসিলের মতো ব্র্যান্ডের দিকে যেতে পারেন। যারা প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের স্মার্টওয়াচের কথা ভাবছেন, তখন অ্যাপল, স্যামসাংসহ প্রতিষ্ঠিত অনেক ব্র্যান্ডের স্মার্টওয়াচ দেখতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত