মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব

আপডেট : ১৭ মে ২০২৪, ১২:৩০ এএম

সমাজে একই সঙ্গে যাদের বসবাস, চলাফেরা, ওঠাবসা এবং সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্নায় যারা একে অপরের পাশে থাকে তারাই হলো প্রতিবেশী। কোরআন ও হাদিসে প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ ও সৌজন্য রক্ষার জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশীর পরিচয় সম্পর্কে হজরত হাসান (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘নিজের ঘর থেকে সামনের চল্লিশ ঘর, পেছনের চল্লিশ ঘর, ডানের চল্লিশ ঘর এবং বামের চল্লিশ ঘর তোমাদের প্রতিবেশী।’ (আদাবুল মুফরাদ ১০৮)

প্রতিবেশীর গুরুত্ব : হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল  (সা.) বলেন, ‘জিবরাইল (আ.) আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এত অধিক নসিহত করতে থাকেন যে, আমি মনে মনে ভাবলাম, তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ বানাবেন।’ (আদাবুল মুফরাদ ১০০)

প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ : হজরত আবু শুরাইহ আল খুযাঈ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীর প্রতি দয়াশীল হয়।’ (আদাবুল মুফরাদ ১০১)

অভুক্ত থাকলে অন্ন দেওয়া : হজরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রা.) ইবনে জুবাইর (রা.)-কে অবহিত করে বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে তৃপ্তি সহকারে আহার করে সে মুমিন নয়।’ (আদাবুল মুফরাদ ১১১)

কথা ও কাজে কষ্ট না দেওয়া : মানুষকে কথা বা কাজের মাধ্যমে কষ্ট দেওয়া হারাম। হোক সে প্রতিবেশী বা অন্য কেউ। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘সেই প্রকৃত মুসলিম, যার জিহ্বা ও হাত থেকে সব মুসলিম নিরাপদ থাকে এবং সেই প্রকৃত মুহাজির, আল্লাহতায়ালা যা নিষেধ করেছেন তা যে ত্যাগ করে।’ (সহিহ বুখারি ১০)

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত