শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মুচকি হাসা সুন্নত

আপডেট : ২২ মে ২০২৪, ১২:১৫ এএম

সুখ-দুঃখ ও হাসি-কান্না মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য এক অংশ। এগুলো কখনো বলে-কয়ে আসে না। বিপদে কান্না করা আর সুখের সময় আনন্দ করা বৈধ। যদি সেটা শরিয়তের গণ্ডিতে থাকে।

তবে এক্ষেত্রে অতিরঞ্জন করা অনুচিত। কারণ অধিক হাসিতে অন্তর আল্লাহ-বিমুখ হয়ে যায় এবং অন্তরের মৃত্যু ঘটে। যা হাদিসে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা বেশি হাসবে না। কেননা অধিক হাসি অন্তরের মৃত্যু ঘটায়।’ (আদাবুল মুফরাদ ২৫২)

পরিবার-পরিজন কিংবা সাথি-সঙ্গীদের সঙ্গে হাসি-কৌতুক করা, অতীত নিয়ে স্মৃতিচারণ করা দোষণীয় নয়। যদি সেখানে মিথ্যার সংমিশ্রণ না ঘটে এবং শরিয়তের গণ্ডি পেরিয়ে না যায়। হজরত রাসুল (সা.) নিজেও মাঝেমধ্যে সাহাবিদের নিয়ে রসাত্মক আলাপ করতেন। করতেন অতীত নিয়ে স্মৃতিচারণ। হজরত জাবের ইবনে সামুরাহ্ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘হজরত  রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে শতাধিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম। সেসব বৈঠকে তার সাহাবিরা কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং জাহেলি যুগের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করতেন, তিনি সেগুলো চুপ করে শুনতেন এবং কখনো কখনো মুচকি হাসতেন।’ (তিরমিজি ২৮৫০)

তবে সব সময় মুচকি হাসা কাম্য। এটাই প্রিয় নবীজি (সা.)-এর সুন্নাহ। তিনি কখনো অট্টহাসি দিতেন না। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি হজরত রাসুল (সা.)-কে এভাবে কখনো হাসতে দেখিনি, যাতে তার কণ্ঠনালির আলাজিহ্বা দেখা যায়। তিনি মুচকি হাসতেন।’ (সহিহ বুখারি ৪৮২৮)

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত