সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে বড় সুখবর

আপডেট : ৩১ মে ২০২৪, ০৪:২৪ এএম

এতদিন শুধু চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী যেসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ রপ্তানি করত, তারাই সরকারের নগদ সহায়তা পেত। এ খাতের নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল কয়েকটি চামড়াশিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে। ফলে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ধসে যায় এ খাতের রপ্তানি। তবে চামড়া খাতের এবার ছোট ছোট রপ্তানিকারকের জন্যও সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিজের কারখানায় উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করলেই পাওয়া যাবে নগদ সহায়তা, প্রয়োজন নেই শতভাগ রপ্তানিমুখী কারখানার।

শতভাগ রপ্তানিমুখী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত চামড়াজাত দ্রব্যাদি রপ্তানির ক্ষেত্রেও নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে শতভাগ রপ্তানিমুখী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নিজস্ব কারখানায় উৎপাদিত চামড়াজাত দ্রব্যাদি রপ্তানির ক্ষেত্রেও নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া নগদ সহায়তা সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।’
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন থেকে চামড়া খাতকে সমৃদ্ধ করার জন্য শতভাগ রপ্তানিমুখী চামড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে ৪৩ পণ্যে নগদ সহায়তা কমানো হয়েছে। তার মধ্যে চামড়া খাতও একটি। গত ৩০ জানুয়ারি সরকারি সিদ্ধান্তে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের নগদ সহায়তা ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে।

দেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১২২ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এ রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় পৌনে ২ শতাংশ কম। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি ১৪ শতাংশ কমেছে। আগামী তিন বছরের জন্য চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রপ্তানিতে উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছিল চামড়া খাতের মালিকদের সংগঠন চামড়াজাত পণ্য ও জুতা উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতি (এলএফএমইএবি)। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত