শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কোরবানির ঈদের মৌসুমি ব্যবসা

আপডেট : ১১ জুন ২০২৪, ১২:০৭ এএম

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাজার ও পাড়া-মহল্লায় জমে ওঠে গরুর খাবারসহ কোরবানির আনুষঙ্গিক সরঞ্জামের মৌসুমি ব্যবসা। এই সময় শহরের বা গ্রামে প্রতিটি এলাকায় দেখা মেলে খড়, ভুসি, ঘাসসহ পশুর সব খাবার। তাই আপনিও করতে পারেন ঈদের মৌসুমি ব্যবসা। সেই চাহিদাকে লক্ষ্য করে পশুর খাবার, খাট্টা, কাঁচা ঘাস, দা-ছুরিসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের সমাহার নিয়ে ব্যবসায় নামতে পারেন। তবে এই ঈদের বাজারে স্থানীয় ছোট-বড় কামারখানায় এখন ব্যস্ততায় রয়েছেন ছুরি-বঁটি তৈরির কারিগররা। বিভিন্ন রকমের ছুরিসহ সব পণ্য নিয়ে। তাই ঈদকে কেন্দ্র করে লাভের পাশাপাশি আনন্দ নিয়ে এসব মৌসুমি ব্যবসা করতে পারেন।

মাংস কাটার খাট্টা

দিনরাত পরিশ্রম করে স’মিলের কারিগররা এ গুঁড়ি তৈরি করে থাকেন, সেই সব মাংস কাটার খাট্টা অল্প দামে কিনে শহরে কিংবা স্থানীয় বাজারে তা কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন। এই সব খাট্টার সাইজ অনুযায়ী দাম হয়ে থাকে। প্রতিটি খাট্টা ৩০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়।

কাঁচা ঘাস

যাদের বাসা গ্রামে তারা খুব সহজে এই সাময়িক ব্যবসা কাজে লাগাতে পারেন।  স্থানীয়ভাবে এক মুঠো ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়। অনেকটা বিনা পুঁজিতেই এসব কাঁচা ঘাস বিক্রি করে লাভ করতে পারবে। শুধু ঘাসগুলো সংগ্রহ করলেই হয়।

দা-ছুরি

মাংস কাটার জন্য ব্যবহার করা হয় দা, ছুরি, চাকু ও অন্যান্য লোহার সামগ্রী। কামারের কাছ থেকে পাইকারি দামে কিনে তা খুব সহজে ভালো দামে বিক্রি করতে পাবেন। এগুলো মূলত কেজি দরে বিক্রি হয়। কোনো কোনো ছুরি পিস হিসেবেও বিক্রি করা হয়ে থাকে। তবে দেশি লোহার তৈরি ছুরি-চাপাতির পাশাপাশি চায়না ছুরিও বাজারে দেখা যায়।

সৌন্দর্য বাড়াতে রঙিন কাগজের মালা

এদিকে পশুর সৌন্দর্য বাড়াতে অনেকে গরু, ছাগল, উটকে গলায় মালা পরিয়ে বাজার থেকে বাসায় নিয়ে যায়। তাই সেই বিষয়টি মাথায় রেখে এই ক’দিনের জন্য করতে পারেন প্লাস্টিকসহ রঙিন কাগজের মালার ব্যবসা। শহরের বিভিন্ন দোকান থেকে মালা কিনে পশুর হাটের পাশে দাঁড়িয়ে এই ব্যবসা করতে পারবেন। প্রতিটি মালা ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। যা ক্রয়ের থেকে লাভ দ্বিগুণ হয়।

পশুর খাবার

বাজারে সব থেকে বেশি চাহিদা হচ্ছে পশুর খাবারের। যে সব খাবারের চাহিদা থাকে গমের ভুসি, শুকনো খড়, কাঁঠালপাতা, অ্যাঙ্কর ডালসহ ধানের ভুসি। পশুর হাটের পাশে খাবারগুলো খুব সহজে বিক্রি করা যায়। প্রতি কেজি ভুসি বিক্রি হয় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা করে (প্রকার ভেদে)। তাই বছরের এই সময়ে মৌসুমি ব্যবসায় নেমে পড়ছেন অনেকে।

মসলা

ঈদে অন্য কিছুর চাহিদা থাকলেও মসলার চাহিদা রয়েছে অনেক বেশি। ছোট মুদির দোকান বা ভ্যানে করে এই ব্যবসা করা সম্ভব। পাইকারি দামে কিনে তা হাটে-বাজারে শহরের বাসার গলিতে কেনা দামের থেকে বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব। যে সব মসলা রাখতে পারেন হলুদ-মরিচ, গরম মসলা, ধনে, জিরা, বড় ও ছোট এলাচ, কাঁচা হলুদ, গুঁড়ো হলুদ, লঙ-সহ সব ধরনের মসলা বিক্রি করতে পারবেন। সঙ্গে রাখতে পারেন চাহিদা মতো প্যাকেটজাত মসলা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত