শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

হজের সওয়াব পাওয়া যায় যেসব আমলে

আপডেট : ১২ জুন ২০২৪, ১২:৪৯ এএম

চলছে হজের মৌসুম। সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এ সময়ে হজ আদায় করে আল্লাহর প্রিয়ভাজন হয়ে ওঠে। কিন্তু যাদের সামর্থ্য নেই তাদের হজে যাওয়ার আকাক্সক্ষা থাকা সত্ত্বেও হজ করা হয়ে ওঠে না। ফলে হজের বিশাল সওয়াবও অর্জন হয় না। হাদিসে এমন কিছু আমলের কথা বলা হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে হজ ও ওমরাহর সওয়াব অর্জন করা যায়।

সূর্যোদয়ের পর নামাজ আদায় : রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানে বসে আল্লাহর জিকির করবে এবং এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করবে তার একটি হজ ও ওমরাহ পালনের সওয়াব হবে।’ (তিরমিজি)

জামাতে নামাজ আদায় : রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ফরজ নামাজের জন্য অজু করে নিজ ঘর থেকে বের হবে, সে একজন ইহরামধারী হাজির সমান সাওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি চাশতের নামাজ আদায় করার জন্য বের হবে, সে একজন ওমরাহ পালনকারীর সমান সাওয়াব পাবে। (আবু দাউদ)

মসজিদে গমন : রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি শুধুমাত্র কল্যাণ শিক্ষা লাভ বা শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশে মসজিদে গমন করবে, তাকে পরিপূর্ণরূপে হজ পালনকারীর মতো প্রতিদান দেওয়া হবে।’ (আত তারগিব ওয়াত তারহিব)

ভালো কাজের আহ্বান : কেউ যদি কাউকে ভালো কাজের দিকে আহ্বান করে, তাহলে তার জন্য রয়েছে উক্ত আমলের সমপরিমাণ সওয়াব। কেউ যদি কারও কথা শুনে হজ বা ওমরাহ পালন করে, তবে সেও পাবে হজ ও ওমরাহর সওয়াব। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে লোক ভালো পথের দিকে ডাকে তার জন্য রয়েছে সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান।’ (সহিহ মুসলিম)

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত