সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ছোটবেলার ঈদ অনেক রঙিন ছিল

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৪, ০৮:০৯ এএম

কদিন আগেই মা হলেন কণ্ঠশিল্পী সানিয়া সুলতানা লিজা। যুক্তরাষ্ট্র থেকে কন্যা সন্তানকে নিয়ে দেশে ফিরেছেন। ঈদের আগে গানও করলেন। বদলে যাওয়া জীবন ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লিজার মুখোমুখি হয়েছেন মাহতাব হোসেন

এখন জীবনযাপন

সারা দিন কাজ করি, সন্ধ্যা ৭-৮টা পর্যন্ত। এরপর সারা রাত আমি আমার মেয়ে ইয়াশাকে কোলে নিয়ে বসে থাকি, শুয়ে থাকি; খাওয়াই। এখন ঘুমটা অনেক কমে গেছে। আমার রুটিনে এমনই পরিবর্তন এসেছে, তবে আমি আফসোস করি না, এটাকে উপভোগ করছি।

আপাতত দেশেই

আমি দেশেই থাকব। আমার স্বামী যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন, এজন্য আসা-যাওয়া চলবে। কিন্তু সেখানে স্থায়ীভাবে গিয়ে থাকার ইচ্ছে নেই আপাতত। সেসব পরে দেখা যাবে। আমার হাজবেন্ড অনেক হেল্পফুল। বাচ্চার প্রতি অনেক কেয়ারিং। আমার প্রতি কেয়ারিং ছিল আগে, এখন কমে গেছে। আমার গানের ব্যাপারে খুবই সাপোর্টিভ। যেহেতু তিনি আমার ফিল্ডের মানুষ না বা গানের মানুষ না, আমি দেখি ও বোঝার চেষ্টা করে আমার বা আমাদের কাজগুলো। আর ভালো মানুষ।

নতুন গানে

প্লেব্যাকে আমাকে দেখা যায় না কেন, আমি ঠিক জানি না। একটা হতে পারে, আমাদের লিমিটেড কাজ হচ্ছে কিংবা লিমিটেড গায়ক-গায়িকারাই কাজ করছে। বাট এতে আমার আফসোস নেই। অনেক প্লেব্যাকে কাজ করেছি। ভবিষ্যতে যদি ভালো কাজের অফার আসে, তাহলে করব। ঈদে নকীব খানের সুরে পূর্ণিমার চাঁদ নামে গান মুক্তি পেয়েছে, আমার চ্যানেলে। আমার সঙ্গে মিউজিক ভিডিওতে নকীব খান স্যার আছেন, এটা আমার জন্য বড় পাওয়া। সংগীত ফোয়াদ নাসের বাবু। আরেকটি বাবা দিবসের গান, আমার সঙ্গে গেয়েছেন কিংবদন্তি শিল্পী রফিকুল আলম। এটি সুর ও সংগীত করেছেন ফোয়াদ নাসের বাবু।

তবু বই পড়া

সিনেমা হল কমে যাচ্ছে, এটার ভুক্তভোগী আমরাও। ওই লিমিটেড গান হচ্ছে, এটা তো কম সিনেমা হওয়ার ফলেই। আর ইদানীং বই পড়াটা কমে গেছে, আমাদের ইয়াং জেনারেশন বই পড়ে না, এটা খুবই দুঃখজনক। তবে আমার ক্ষেত্রে আমি বই পড়ি, টিভি দেখতে আমি একদম পছন্দ করি না। বইয়ে সময় কাটাতে ভালো লাগে। তবে আমি আশাবাদী, আমি মনে করি প্রযুক্তির এই জায়গা থেকেও একটা সময় মানুষ বই পড়বে, ভালো গান শুনবে। বিনোদনের মাধ্যম হবে প্রসারিত ও পরিশীলিত।

ছোটবেলার ঈদ

ছোটবেলার ঈদ মিস করি, শুধু আমি না, আমার মনে হয় আমরা সবাই ছোটবেলার ঈদটাকে মিস করি। সবারই ছোটবেলার ঈদ অনেক রঙিন ছিল। বড় হলে এই আনন্দ আনন্দগুলো ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসে। আমার ক্ষেত্রেও যেটা, আপনার ক্ষেত্রেও সেটা। কোরবানির ঈদ আমার দাদুর বাড়ি ময়মনসিংহে পালন করতাম। সালামি তো দুই ঈদেই পেতাম সমানতালে। ঈদের সকালে উঠে আম্মুর রান্না করা চালের রুটি, পোলাও, গরুর মাংস আমরা সব কাজিনরা মিলে যে খেতাম; আমার কাছে মনে হতো এটাই কোরবানি ঈদের বিশেষত্ব। এটা এখন আর হয় না, ঈদে বাড়ি যাওয়া হয় না। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, টিভি লাইভ থাকে। সাত দিন পর যখন বাড়িতে যাই, তখন আর কারও সঙ্গে দেখা হয় না, সবাই ছুটি শেষ করে চলে গেছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত