সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

‘গোলাপি’ এখন হাটে

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৪, ০৩:৩৪ এএম

কয়েক বছর ধরেই কোরবানি ঈদের বাজারে গোলাপি মহিষের চাহিদা বেড়েছে। খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ায় দেশের খামারিরাও উৎসাহী হন গোলাপি মহিষ পালনে। এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পশুর হাটে দেখা যাচ্ছে অ্যালবিনো জাতের গোলাপি মহিষ। দেখতে সুন্দর হওয়ায় অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন গোলাপী মহিষ কিনতে।

জানা যায়, গোলাপি মহিষগুলো দেখতে যেমন নজরকাড়া তেমনি মাংসও খেতে সুস্বাদু। শুধু বাইরে থেকে নয়, এই মহিষের মাংস দেখতেও গোলাপি রঙের। বিভিন্ন খামারে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই গোলাপি মহিষ। একেকটি অ্যালবিনো মহিষের ওজন হয় প্রায় ৪০০ থেকে ৯০০ কেজি পর্যন্ত। গোলাপী মহিষের রোগব্যাধি কম হয়। গরুর চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ভালো। মহিষের মাংসে গরুর চেয়ে ক্ষতিকর উপাদান কম থাকে। এ ছাড়া মহিষ পালনে লাভ বেশি। অনেকেই তাই মহিষের মাংসের দিকে ঝুঁকছেন।

সাভারের প্রয়াস অ্যাগ্রো খামারের মালিক মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, আমরা শখের বসে মহিষ পালন করি।

কারণ মহিষের পেছনে খরচ অনেক কম হয়। খামারে গরু প্রচুর খাবার নষ্ট করে, সেই উচ্ছিষ্ট খাবার দিয়েই মহিষের খাবার হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে মহিষের মাংসের চাহিদা বাড়ছে। এ বছর মহিষের বিক্রিও বেশি।

বাংলাদেশে সাভারের আশুলিয়ায় একটি খামারে প্রায় অর্ধশত অ্যালবিনো জাতের গোলাপি রঙের মহিষ পালন করা হচ্ছে। শ্রীপুরের গণকবাড়িতে বিভিন্ন খামারে অ্যালবিনো ছাড়াও মুররাহ, নিলিরাতি ও জাফরাবাদী জাতের মহিষ দেখা গেছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত