বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

শিশুর ওজন বাড়াবেন যেভাবে

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৪, ১১:১৯ পিএম

অনেক শিশুর বয়স অনুযায়ী ওজন স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই কম থাকে। আর এ কারণে তাদের শরীরে এনার্জিও ঘাটতি হয়। এমনকি তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কম থাকে। তাই সন্তানকে সুস্থ-সবলভাবে বড় করে তুলতে হলে কীভাবে ওজন বাড়াবেন জেনে নিন। শুরুতেই খাবারে একটা বড় পরিবর্তন আনতে হবে। ফাস্ট ফুড, চিপস, প্রসেসড ফুডের মতো খাবার থেকে শিশুকে বিরত রাখতে হবে। তার বদলে

শিশুকে নিয়মিত আলু এবং মিষ্টি আলুর নানা পদ তৈরি করে খাওয়ান। কারণ আলুতে রয়েছে উপকারী কাবোহাইড্রেট। যা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া আলুতে আছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ, যা শরীরের পুষ্টির ঘাটতি মেটায়।

দুধ হলো সুষম পানীয়। এতে প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২, জিঙ্ক, ফসফরাস, রিবোফ্ল্যাভিনসহ একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। তাই চেষ্টা করবেন প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খাওয়াতে। যেসব শিশুর ল্যাকটোজ সমস্যা আছে তাদের দুধের বদলে দই, ছানার মতো দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ান। এর ফলে ওজন কমবে।

শিশুকে প্রতিদিন ডিম খাওয়াতে পারেন। ডিমের প্রোটিনকে খুব সহজেই শরীর গ্রহণ করে নেয়। শুধু তাই নয়, এই প্রাণিজ খাবার ফ্যাট, ফসফরাস থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি উপাদানের খনি। আর এসব উপাদান শিশুর পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। এমনকি ওজন বাড়ায়।

 অল্প দামি খাবার হলো কলা। এতে মজুদ রয়েছে ভিটামিন সি, ই, কে, পটাশিয়াম, ফোলেট থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি উপাদান। সেই সঙ্গে এই ফলে উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইবারেরও খোঁজ মেলে। আর এসব উপাদান কিন্তু শিশুর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি এই ফল নিয়মিত খেলে শিশুর শরীরে এনার্জির ঘাটতিও হয় না। ছোট্ট শিশুকে রোজ একটা করে কলা খাওয়ান।

আমন্ড, ওয়ালনাট, পিস্তা, কাজুর মতো বাদামে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভান্ডার। এমনকি এসব বাদামে ভালো পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজও রয়েছে। তাই শিশুকে রোজ কয়েকটি বাদাম খাওয়ান।

এর পাশাপাশি তার ডায়েটে রাখতে পারেন কিশমিশ, খেজুরের মতো ড্রাই ফ্রুটস। কারণ এসব খাবারে ফাইবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালরিও রয়েছে। আর সেই কারণে এই ড্রাই ফ্রুটস খেলে বাড়তে শুরু করে ওজন। তাই ঝটপট তার ডায়েটে বাদামকে জায়গা করে দিন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত