সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২টি বসতবাড়ি ও ৭টি অফিস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাড়াশ উপজেলার পৌর সদরের সুজন মালের বাড়িতে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, তাড়াশ উপজেলার পৌর সদরে সুজন মালের বাড়ির একটি ঘরে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। তাদের চিৎকারে পাশের বাড়ির লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে তারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাদের ধারণা বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে দুইটি বসতবাড়ি ও ৭টি অফিসের প্রায় ১ কোটি টাকার মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল শিক্ষক সুজন মাল জানান, তার বসত ঘর, ভাড়া দেওয়া ৭টি অফিস ও একটি বসত ঘরের মালামাল পুড়ে গেছে। তার ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, চাল, নগদ টাকা, আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড় সহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আরেকটি ভাড়া দেওয়া ঘরে স্বর্ণালংকার, চাল, নগদ টাকা, আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড় সহ প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ভাড়া দেওয়া আরএফএলের গোডাউন ঘরে মজুদকৃত মালামাল পুড়ে গেছে। এর ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। পাঞ্জেরী প্রকাশনীর ঘরে থাকা আসবাবপত্র সহ বই পুড়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ টাকা। অপর দিকে দৈনিক সমকাল তাড়াশ প্রতিনিধির ব্যক্তিগত অফিসের প্রায় ২ লাখ টাকার বই, একটি কম্পিউটার, একটি এলইডি টিভি, ফাইল কেবিনেট, বুকসেল্ফ, আসবাবপত্র ও একই অফিসে থাকা আরটিভির প্রতিনিধি হাদিউল হৃদয়ের কেনন ৭০০ডি ডিএসলার একটি ক্যামেরা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মো. মঞ্জুরুল আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কিন্তু তার বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র ও মালামাল আমরা উদ্ধার করতে পারিনি সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনার পর তাড়াশের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তাড়াশ পৌর প্রশাসক এ. জেড. এম. নাহিদ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম!