বিমান যাত্রায় হাতের কাছে রাখুন

ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বা দরকারি কাজে অনেকেই দূরদেশে যান। বিমানে দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫ ঘণ্টা থেকে পুরো একদিনও লেগে যায়।

যারা অভ্যস্ত অর্থাৎ বছরে বেশ কয়েকবার ফ্লাইটে চড়েন তাদের কাছে ভ্রমণটা বিরক্তিকর মনে নাও হতে পারে। তবে যারা প্রথমবার বা কম বিমানে চড়েন তাদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় বসে থাকা যেন কঠিন পরীক্ষা। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে সময় কাটানো ও ভ্রমণ উপভোগ্য করতে ৫টি জিনিস সঙ্গে নেওয়ার কথা হয়েছে।

সিনেমা ও গান: বেশির ভাগ বিমানের সিটের পেছনে বিনোদনের মাধ্যমের ব্যবস্থা করা আছে। সাধারণত কর্তৃপক্ষের পছন্দ অনুযায়ী সিনেমা ও টিভি শো থাকে লিস্টে। এগুলো আপনি পছন্দ নাও করতে পারেন।

মোবাইলে আপনার পছন্দমতো গান, সিনেমা বা কোনো শো ডাউনলোড করে রাখুন। বিমানে ওয়াইফাই সুবিধা থাকলে নেটের ধীরগতির কারণে ডাউনলোড হতে সময় বেশি লাগে। এ কারণে বাড়িতেই এ কাজটি সেরে ফেলতে পারেন।

ব্যাটারি ও চার্জার: বিমানে মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেটে ভালো সার্ভিস পেতে হলে অবশ্যই গেজেটটির পূর্ণ চার্জের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক বিমানের সিটের পেছনে চার্জিং প্লাগ নাও থাকতে পারে। এ জন্য পোর্টেবল চার্জার সঙ্গে নেওয়া যেতে পারে।

বাইরের শব্দ প্রতিরোধী হেডফোন: বিমানের ইঞ্জিনের শব্দ থেকে রেহাই পেতে সঙ্গে শব্দ প্রতিরোধী হেডফোন সঙ্গে রাখুন।

গরম কাপড়: বিমানে চড়ার সময় তাপমাত্রা স্থির থাকে না। বাইরের ঠান্ডার প্রভাব বিমানের ভেতরেও পড়তে পারে। অনেক বিমানে বেশি ঠান্ডা পড়লে যাত্রীদের শরীর উষ্ণ রাখতে কম্বল দেওয়া হয়। বিমান কর্তৃপক্ষের উপর ভরসা না করে আপনি হুডি বা পুলোভার সঙ্গে নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় জিনিস: ফ্লাইটকে আরামদায়ক করার জন্য বাজারে হরেক রকমের জিনিস পাওয়া যায়। অধিকাংশই দেখতে সুন্দর হলেও কোনো কাজে লাগে না। যেমন; বছরে একবার ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পিলো কেনা অর্থের অপচয় ছাড়া কিছুই না।

তবে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিন। অনেক ফ্লাইটে লাগে দীর্ঘ সময় ও রাতে ছাড়া হয়। এক্ষেত্রে সঙ্গে স্লিপমাস্ক ও ময়েশ্চারাইজার রাখতে হবে। হাতের কাছে কলম রাখবেন। ইমিগ্রেশন ফর্ম বা এ জাতীয় কিছু ফরম পূরণ করতে হতে পারে।