মহাজোটে থেকেও নৌকার সঙ্গে লড়াইয়ে লাঙ্গল

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক হলেও দলটির সঙ্গে দূরত্ব রেখেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় পার্টি। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত— হওয়ার পর ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন দলটির মনোমালিন্য প্রকাশ্যে রূপ নিল।

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ৫২টি আসন দাবি করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেও তা আদায় করতে পারেনি জাপা। গতকাল রোববার মহাজোটের হয়ে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচনের জন্য জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এতে অসন্তুষ্ট জাতীয় পার্টি ১৪৩টি আসনে মহাজোটের বাইরে আলাদাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এসব আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের পাশাপাশি লাঙ্গলের প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হবে নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে থাকা মহাজোটের প্রার্থীদের।

বিকালে নির্বাচন কমিশনে প্রার্থী তালিকা জমা দিতে গিয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফয়সাল চিশতি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ১৪৩ আসনে উন্মুক্তভাবে নির্বাচন করব, প্রার্থীও দিয়েছি। মহাজোট থেকে ২৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’

আলাদাভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করায় এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি মহাজোটে আছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আওয়ামী লীগ নেতারা মহাজোটের মধ্যে জাতীয় পার্টির অবস্থান সংহত রয়েছে বলে দাবি করলেও এরশাদের দলটির নেতাদের কথায় দূরত্বের আভাস স্পষ্ট।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টি মহাজোটেরই শরিক। আসন নিয়ে কিছুটা দরকষাকষি হয়েছে। কিন্তু যে আসন দেওয়া হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট জাপা। আমাদের শরিক দলগুলো আলাদা করে নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে তার সুযোগ আছে।’

এর মধ্য দিয়ে মহাজোট ভাঙছে কি না জানতে চাইলে হানিফ বলেন, ‘সেই সম্ভাবনা  নেই।’

তবে মহাজোটে থাকার বিষয়ে জোর থাকলেও প্রার্থিতা নিয়ে স্পষ্ট ক্ষোভের প্রমাণ পাওয়া গেল জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বক্তব্যে। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা মহাজোটে থেকেই একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। আমাদের আলাদা প্রার্থী রয়েছে মানে এই নয় যে, আমরা আলাদা হয়ে নির্বাচন করছি।

জাতীয় পার্টি একটি বড় রাজনৈতিক দল। এই দলে নেতাকর্মী কম নয়, সবাই যোগ্য। তাই আমরা আরো বেশি আসন দাবি করেছি, কিন্তু পাইনি। তাই দলের প্রয়োজনে কিছু আসনে দলীয় প্রার্থী দিতে হয়েছে।’

মহাজোটে জাপার ২৯, বাইরে ১৪৩ প্রার্থী

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট থেকে ২৯টি আসনে প্রার্থী হচ্ছেন জাতীয় পার্টির নেতারা। আর আলাদাভাবে ১৪৩ আসনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার কথা বলা হলেও সর্বশেষ ১৩২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে দুটি আসনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করবেন। নিজের এলাকা রংপুর-৩ (সদর) আসনের পাশাপাশি রাজধানীর অভিজাত এলাকা ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি।

গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেকের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এখন সেখানে সাবেক সেনাপ্রধান এরশাদের ওপরই আস্থা রাখল তারা।

২০০৮ সালের নির্বাচনেও জোটগতভাবে ঢাকার এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন এরশাদ। পুরান ঢাকার সূত্রাপুর-কোতোয়ালি এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৬ আসনও জাতীয় পার্টিকে ছেড়েছে আওয়ামী লীগ। বর্তমান সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদই এখানে দলীয় প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হচ্ছেন।

ঢাকার আরেকটি আসনও জাতীয় পার্টিকে দেওয়া হয়েছে। শ্যামপুর, জুরাইন ও পোস্তগোলা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৪ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এবারও মহাজোটের মনোনয়ন পেয়েছেন।

জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে ময়মনসিংহ-৪ আসনে জোটের প্রার্থী করা হচ্ছে। অপর কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের লড়বেন লালমনিরহাট-৩ আসনে। মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা প্রার্থী হচ্ছেন রংপুর-১ আসন থেকে।

কুড়িগ্রাম-১ আসনে এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-২ আসনে পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-১ আসনে শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ আসনে শরীফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ আসনে নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ আসনে নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ আসনে আলতাফ আলী শেখ মহাজোটের প্রার্থী হচ্ছেন।

এ ছাড়া বরিশাল-৬ আসনে নাসরিন জাহান রত্না, বরিশাল-৩ আসনে গোলাম কিবরিয়া টিপু, পিরোজপুর-৩ আসনে রু¯—ম আলী ফরাজী, ময়মনসিংহ-৮ আসনে ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মুজিবুল হক চুন্নু, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে পীর ফজলুর রহমান, সিলেট-২ আসনে মো. ইয়াহিয়া চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জিয়াউল হক মৃধা, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মোহাম্মদ নোমান, চট্টগ্রাম-৫ আসনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নীলফামারী-৩ আসনে রানা মোহাম্মদ সোহেল, টাঙ্গাইল-৫ আসনে শফিউল্লাহ আল মুনির, ফেনী-৩ আসনে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন।

এর বাইরে দলীয়ভাবে ঢাকা বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা-২ শাকিল আহমেদ শাকিল, ঢাকা-৭ তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৮ মো. ইউনুস আলী আকন্দ, ঢাকা-১০ মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-১১ এস এম ফয়সল চিশতী, ঢাকা-১২ নাসির উদ্দিন সরকার, ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ঢাকা-১৪ মোস্তাকুর রহমান, ঢাকা-১৫ মো. শামসুল হক, ঢাকা-১৯ কাজী আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা-২০ খান মো. ইস্রাফিল, গাজীপুর-৩ আফতাব উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর-৫ রাহেলা পারভীন শিশির, নরসিংদী-১ মো. শফিকুল ইসলাম, নরসিংদী-২ মো. আজম খান, নরসিংদী-৩ আলমগীর কবির, নরসিংদী-৪ মো. নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া, নরসিংদী-৫ এমএ সাত্তার, নারায়ণগঞ্জ-১ আজম খান, টাঙ্গাইল-৪ সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন, টাঙ্গাইল-৭ মো. জহিরুল ইসলাম জহির, কিশোরগঞ্জ-৬ নুরুল কাদের সোহেল, মানিকগঞ্জ-৩ জহিরুল আলম রুবেল, মুন্সীগঞ্জ-১ শেখ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ-৩ গোলাম মোহাম্মদ রাজু, রাজবাড়ী-১ আক্তারুজ্জামান হাসান, রাজবাড়ী-২ এবিএম নুরুল ইসলাম ও শরীয়তপুর-৩ মো. আবুল হাসান।

চট্টগ্রাম বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে কাজী মামুনুর রশীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ তারেক এ আদেল, কুমিল্লা-১ মো. আবু জায়েদ আল মাহমুদ, কুমিল্লা-২ মো. আমির হোসেন, কুমিল্লা-৩ মো. আলমগীর হোসেন, কুমিল্লা-৪ মো. ইকবাল হোসেন রাজু, কুমিল্লা-৫ মো. তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৭ মো. লুৎফর রেজা, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, কুমিল্লা-৯ এটিএম আলমগীর, কুমিল্লা-১১ খায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, চাঁদপুর-১ এমদাদুল হক, চাঁদপুর-২ এমরান হোসেন মিয়া, চাঁদপুর-৪ মো. মাইনুল ইসলাম, নোয়াখালী-১ আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, নোয়াখালী-২ হাসান মঞ্জুর, নোয়াখালী-৩ ফজলে এলাহী সোহাগ, নোয়াখালী-৪ মোবারক হোসেন, নোয়াখালী-৫ সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ নাসিম উদ্দিন মো. বায়জিদ, লক্ষ্মীপুর-১ আলমগীর হোসেন, লক্ষ্মীপুর-৪ আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ জহুরুল ইসলাম রেজা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল কবির, চট্টগ্রাম-৮ ফাতেমা খুরশীদ সোমাইয়া, চট্টগ্রাম-১২ মো. নুরুচ্ছফা সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ, খাগড়াছড়ি আসনে সোলায়মান আলম শেঠ, রাঙ্গামাটি আসনে এ এ কে পারভেজ তালুকদার।

রংপুর বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- রংপুর-২ আসনে আসাদুজ্জামান চৌধুরী শাবলু, কুড়িগ্রাম-৩ আক্কাস আলী সরকার, কুড়িগ্রাম-৪ আশরাফ উদ দৌলা, গাইবান্ধা-৩ দিলারা খন্দকার শিল্পী, পঞ্চগড়-১ আবু সালেক, পঞ্চগড়-২ লুৎফর রহমান রিপন, ঠাকুরগাঁও-৩ হাফিজ উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. শাহীনুর ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. জুলফিকার হোসেন, দিনাজপুর-৪ মো. মোনাজাত চৌধুরী, দিনাজপুর-৫ সোলায়মান সামী, দিনাজপুর-৬ মো. দেলোয়ার হোসেন, নীলফামারী-১ জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, লালমনিরহাট-১ মো. খালেদ আখতার, রংপুর-৪ মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, রংপুর-৫ মো. ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, গাইবান্ধা-৪ কাজী মো. মশিউর রহমান ও গাইবান্ধা-৫  এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু।

ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- শেরপুর-১ আসনে আলহাজ ইলিয়াস উদ্দিন, শেরপুর-৩ মো. আবু নাসের, জামালপুর-১ আবদুস সাত্তার, জামালপুর-২ মোস্তফা আল মাহমুদ, জামালপুর-৩ অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুর আহাদ হেলাল, ময়মনসিংহ-৫ মো. সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৬ ডা. কে আর ইসলাম, ময়মনসিংহ-৯  হাসনাত মাহমুদ তালহা ও নেত্রকোনা-৩ মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া।

রাজশাহী বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- জয়পুরহাট-১ আসনে আ স ম মোক্তাদির তিতাস, জয়পুরহাট-২ কাজী মো. আবুল কাশেম, বগুড়া-৪ হাজী নুরুল আমিন বাচ্চু, বগুড়া-৫ তাজ মোহাম্মদ শেখ, নওগাঁ-১ আকবর আলী কালু, নওগাঁ-২ মো. বদিউজ্জামান, নওগাঁ-৩ তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ মো. এনামুল হক, রাজশাহী-২ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, রাজশাহী-৫ মো. আবুল হোসেন, রাজশাহী-৬ মো. ইকবাল হোসেন, নাটোর-১ মো. আবু তালহা, নাটোর-২ মো. মুজিবুর রহমান সেন্টু, নাটোর-৩ আনিসুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আলমগীর হোসেন, পাবনা-১ সরদার শাহজাহান ও পাবনা-৫ মো. আবদুল কাদের খান।

খুলনা বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- খুলনা-১ আসনে সুনীল শুভ রায়, সাতক্ষীরা-১ সৈয়দ দিদার বখত, সাতক্ষীরা-৪ আবদুস সাত্তার মোড়ল, মেহেরপুর-১ আবদুল হামিদ, মেহেরপুর-২ মো. কেতাব আলী, কুষ্টিয়া-১ মো. শাহারিয়ার জামিল, কুষ্টিয়া-৪  মো. আশরাফুল সোলাইমান, চুয়াডাঙ্গা-১ অ্যাড. মো. সোহরাব হোসেন, যশোর-২  এবিএম সেলিম রেজা, যশোর-৩ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, যশোর-৪ মো. জহুরুল হক, যশোর-৫ এমএ হালিম, যশোর-৬ মো. মাহাবুব আলম, মাগুরা-১ মো. হাসান সিরাজ, নড়াইল-১ মো. মিল্টন মোল্যা, নড়াইল-২ খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, বাগেরহাট-৩ মো. সেকেন্দার আলী মনি, বাগেরহাট-৪ সোমনাথ দে, খুলনা-৪ হাদিউজ্জামান, খুলনা-৫ মো. শহীদ আলম, খুলনা-৬ শফিকুল ইসলাম মধু।

বরিশাল বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা-২ মিজানুর রহমান মল্লিক, পটুয়াখালী-৩ মো. সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৪ আনোয়ার হোসেন, ভোলা-১ কেফায়েত উল্লাহ নজিব, ভোলা-৩ নুরুন্নবী সুমন, বরিশাল-২ সোহেল রানা, বরিশাল-৫ একেএম মর্তুজা আবেদীন, ঝালকাঠি-১ এম এ কুদ্দুস খান, ঝালকাঠি-২ এম এ কুদ্দুস খান, পিরোজপুর-১ মো. নজরুল ইসলাম।

সিলেট বিভাগের প্রার্থীরা হলেন- সুনামগঞ্জ-৫ নাজমুল হুদা, সিলেট-১ মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ মো. ওসমান আলী, সিলেট-৪ আহমেদ তাজ উদ্দিন তাজ রহমান, মৌলভীবাজার-২ অ্যাড. মাহাবুবুল আলম শামীম, হবিগঞ্জ-১ মো. আতিকুর রহমান, হবিগঞ্জ-২ শংকর পাল, হবিগঞ্জ-৩ মো. আতিকুর রহমান ও সিলেট-৫ আসনে সেলিম উদ্দিন।