টেস্ট সিরিজের ফর্মটা ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও টেনে আনলেন মুমিনুল হক। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেললেন দারুণ এক ইনিংস। কিন্তু উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ৬ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপে পুড়েছেন পূর্বাঞ্চল অধিনায়ক।
শুক্রবার রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে বিসিএলের চতুর্থ রাউন্ডের শেষ দিনে ১৯৪ রানের ইনিংস খেলেন মুমিনুল। ওয়ানডে স্টাইলে খেলে ডাবল সেঞ্চুরির পথে ছিলেন ভালোভাবেই। কিন্তু তানবীর হায়দারের বলে কাটা পড়ে সেটি আর হয়নি।
মুমিনুলের আলো কাড়া দিনে ড্র হয়েছে পূর্বাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যকার ম্যাচটি। মোট চারটি সেঞ্চুরি হয়েছে ম্যাচটিতে। প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছিলেন রনি তালুকদার। পূর্বাঞ্চলের এই ব্যাটার খেলেছিলেন ১৮৫ রানের ইনিংস।
আগের দিনের ২ উইকেটে ৯০ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেছিল পূর্বাঞ্চল। মুমিনুল ১৯৪ রানে আউট হওয়ার পরই ৪ উইকেটে ৩৬২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দলটি।
উত্তরাঞ্চলের সামনে তাতে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৫২ রানের। জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন দল ১ উইকেটে ১১৬ রান করলে দিনের খেলা শেষ হয়। তাতে ড্র হয় ম্যাচটি। নিজেদের প্রথম ইনংসে ৪৬৬ রান করেছিল পূর্বাঞ্চল। বিপরীতে উত্তরাঞ্চল করে ৩৭৭ রান।
মুমিনুল আগের দিনের ৩০ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন এদিন। ১০৬ বলে পূরণ করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ১৮তম সেঞ্চুরি। ১৫৩ বলে পূরণ করেন ১৫০ রান। শেষ পর্যন্ত ১৯০ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৩টি ছক্কা ও ২৩টি চারে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে সেঞ্চুরির পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে খেলেছিলেন ১৬০ রানের ইনিংস। উইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১২০ রান।