পুলিশ পাহারায় শনিবার বিরতির পর রোববার আফরোজা আব্বাসের গণসংযোগে হামলা হেছ। ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি দলীয় এ প্রার্থীর গণসংযোগে রোববার দুপুর ১টার দিকে মানিকনগর পুকুরপাড় এলাকায় হামলা হয়।
এতে মিছিলে অংশ নেওয়া নারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত একশ’ আহত হয়েছে।
আহতদের শাহজাহানপুর ও মালিবাগে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুপুরে হামলা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় হামলার বিষয় নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে নির্বাচন ভবনে যান আফরোজা আব্বাস।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর বাসাবো চৌরাস্তায় এবং ১৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় আফরোজা আব্বাসের গনসংযোগ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।
আফরোজা আব্বাসের নির্বাচনী গণসংযোগ অংশ নেওয়া নাহিদ নজরুল দেশ রূপান্তরকে বলেন, আফরোজা আব্বাস দুপুর ১২টায় শাহজাহানপুরের নিজ বাসা থেকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল সহকারে গণসংযোগে বের হন।
তিনি জানান, মিছিলটি মুগদা থেকে মান্ডা হয়ে মানিকনগর মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা টুন্ডা বাবুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে হামলা চালায়। পরে গণসংযোগ স্থগিত করে নিজ বাসভবনে ফিরে যান আফরোজা আব্বাস।
হামলায় হায়দার আলী নামে এক ফটোসাংবাদিক মারাত্মক আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। একইসঙ্গে তাকে মাটিতে ফেলে উপর্যুপরি লাথি মারতে থাকে ও পিটিয়ে আহত করে। আহত অন্য ফটোসাংবাদিকরা হলেন আসাদ, মিন্টু, পারভেজ।
আহত নারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, মহিলা দল নেত্রী নূরজাহান আক্তার ইভা, শোভা, মনোয়ারা রহমান, জয়া, শারমিন আক্তার, মিজানুর রহমান, সোনিয়া আহমেদ, পারভিন, মর্জিনা আক্তার, ফরিদা পারভিন, সুলতানা রাজিয়া, আসিফ, সোহেল, ইসমাইল, কাজী আকবর প্রমুখ।
এদিকে আফরোজা আব্বাস উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান হামলাকারীদের তিনি চিহ্নিত করতে পেরেছেন।
তার দাবি হামলাকারীরা হলেন মান্ডা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল, মুগদা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাম্পু, মুগদা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শামীম হোসেন, শাহাজাদা বাবু, আওলাদ, রুবেল, জীবন, মানিকনগর যুবলীগ নেতা জীবন, মান্ডা যুবলীগ নেতা হাজী বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ, বিচ্ছু রনি, চাঁনতারা ফারুক, পিচ্ছি রাসেল, শাহিন, প্লাবন, মান্ডা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আনোয়ার, মুগদা আওয়ামীলীগ নেতা গেলাম কিবরিয়া রাজা।