ধানের শীষ প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার প্রার্থিতার বৈধতা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া আদেশ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অবশ্য স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় জামায়াতের এই ২৫ নেতার নির্বাচনে লড়তে বাধা নেই।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করে।
সংশ্লিষ্ট আইনজীবী জানান, হাইকোর্ট যেহেতু কোনো স্থগিতাদেশ দেননি, তাই জামায়াতের ওই ২৫ নেতার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই।
ধানের শীষ প্রতীকে ‘জামায়াতে ইসলামীর’ ২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসির দেওয়া আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ দলটির চার নেতা।
প্রসঙ্গত, এর আগে গত সপ্তাহে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ধানের শীষ প্রতীকে ‘জামায়াতের এই প্রার্থীদের’ মনোনয়নপত্র বৈধতার বিষয়টি তিন কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। পরে ইসি তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
এবিষয়ে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ধানের শীষ প্রতীকে জামায়াতের কোনো প্রার্থী নেই। জামায়াত নামের কোনো দলের নিবন্ধন নেই। এরা সবাই ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী।’
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম এই শরিক দলটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২৫টি আসনে লড়ছে। কয়েকজন জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলাদা প্রতীক নিয়েও লড়ছেন।