প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চেয়েও পাননি দিলীপ কুমার

বাড়ি রক্ষার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নভিসের সাহায্য চেয়েছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমারের স্ত্রী অভিনেত্রী সায়রা বানু। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।

কইমই ডটকম জানায়, এবার দখলদারদের বিরুদ্ধে মানহানির নোটিশ পাঠালেন সায়রা বানু। মুম্বাইয়ের আবাসন নির্মাণকারী সমীর ভোজওয়ানির বিরুদ্ধে অব্যাহত হয়রানি ও সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনেন তিনি।  আরও জানান, তারা জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তিনি বলেন, শেষ বয়সে এসে এমন ঘটনা হৃদয় বিদারক। আইনসংগতভাবে এই সম্পত্তির মালিক ইউসুফ খান সাহেব (দিলীপ কুমার)। তারা এ ঘটনায় কারও সমর্থন পাননি। সমীর ভোজওয়ানির ক্রমাগত হয়রানি মোকাবিলা করার শক্তিও তাদের নেই।

এর আগে জাল দলিল তৈরির অভিযোগে সমীর কিছুদিন জেল খাটেন। ওই ব্যবসায়ী কয়েক মাস আগে জামিনে বের হয়ে আসলে সায়রা রানু মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চান। এর পর সায়রা বানুর আবেদনে মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের কথা বলেছিলেন বারবার। কিন্তু গত তিন মাসে কার্যত কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

সায়রা বানু বলেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দিলীপ কুমারের জন্য এ ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক, যিনি কিনা ১৯৮০ সালে মুম্বাইয়ের শেরিফ ছিলেন। একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিকও। সমীরের কর্মকাণ্ডকে দিলীপ কুমারের ওপর নির্যাতন বলেও উল্লেখ করেন।

মুম্বাইয়ে বান্দ্রার পালি হিলের এই বাংলোটির দাম ২৫০ কোটি রুপি। অনেক বছর ধরে দিলীপ কুমার ও তার পরিবার এখানেই আছে। জমির সব দলিল, বাড়ি নির্মাণের অনুমতি, মিউনিসিপ্যালটি করপোরেশনের সব কাগজ অভিনেতার নামেই।

সমীর দাবি করে আসছে ১৯৮০ সালে ২৫ হাজার রুপি বিনিময়ে তার বাবা সম্পত্তিটি কিনে নেন। তবে ১৯৫৩ সালের নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে ১ লাখ ৪০ হাজার রুপির বিনিময়ে সম্পত্তিটি কিনেছেন দিলীপ কুমার।

ইতিমধ্যে সায়রা বানু ঘোষণা দিয়েছেন ওই প্লটে দিলীপ কুমারের সম্মানে একটি মিউজিয়াম নির্মাণ করবেন।