একই রাতে দুই রকম স্বাদ দুই স্প্যানিশ জায়ান্টের। ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর অন্য ম্যাচে গেতাফের মাঠে ২-১ গোলে জিতেছে বার্সেলোনা। যথারীতি লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজ গোল পেয়েছেন। আর হতাশার রাতে রিয়ালের লুকাস ভাসকেজকে দেখতে হয়েছে লাল কার্ড।
দুই দলের এমন উত্থান-পতনে লিগ শিরোপা লড়াইও অনেকটা একতরফা হয়ে গেছে। বার্সেলোনা ১৮ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে চার থেকে পাঁচে নেমে গেছে। একই দিনে তালিকার দুই ও তিন নম্বর দল আতলেতিকো মাদ্রিদ ও সেভিয়া ১-১ গোলে ড্র করায় সুবিধা হয়েছে বার্সার। আতলেতিকো ৩৫ ও সেভিয়া ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের অবস্থানেই আছে। এতে দুই নম্বরে থাকা আতলেতিকোর চেয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে গেছে বার্সা।
গ্রেট ফুটবলাররাই ম্যাচ জেতান। খেলাটির এমন সহজ বিশ্বাসটাই যেন রিয়ালকে মনে করিয়ে দিল বার্সেলোনা। দলে এখন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো গ্রেট নেই। রিয়ালের পিছিয়ে থাকার কারণ এটাই, তা আবার প্রমাণ হলো। বিপরীতে বার্সার সবসময়ের গ্রেট মেসি তার দলকে আরও একটি ম্যাচে জেতালেন। সঙ্গে সুয়ারেজও স্কোরলাইনে নাম তোলেন। ম্যাচের ২০ মিনিটে মেসি ও ৩৯ মিনিটে সুয়ারেজ গোল করেন। গত নয় মৌসুমে আটবার গেতাফের মাঠে জিতেছিল বার্সা। প্রতিবারই শিরোপা উঠেছে তাদের হাতে। এছাড়া ম্যাচে গোল দিয়ে লা লিগায় ব্যক্তিগত ৩৯৯ গোলের মাইলফলক ছুঁলেন মেসি। আর একটি হলে এই লিগে ৪০০ গোল হবে তার। আর এবারের লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের তালিকায় ১৬ গোল নিয়ে শীর্ষেও আছেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। এদিকে ২০০৪ সালের পর ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে প্রথম হারল রিয়াল। ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই পেনাল্টি পায় সফরকারীরা। তাতে লক্ষ্যভেদ করে একবিংশ শতাব্দীতে রিয়ালের মাঠে দ্রুততম পেনাল্টি গোলের রেকর্ড গড়েন উইলিয়াম হোসে। ৮৩ মিনিটে রুবেন পাদ্রো সোসিয়েদাদের জয় নিশ্চিত করেন।