যুবলীগ কর্মী রোমান হত্যা নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি

রাজধানীর মিরপুরে যুবলীগ কর্মী ইয়ামিন হোসেন রোমান হত্যার নেপথ্যে রয়েছে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার। মিরপুরের দুই সংসদ সদস্যের অনুসারী যুবলীগের দুই পক্ষের মধ্যে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনা দেখা দেয়। গত সোমবার এই বিরোধের জের ধরেই রোমান খুন হন বলে এলাকা ঘুরে জানা গেছে। পুলিশ বলছে, স্থানীয় কাঁচাবাজার ও ফুটপাতের দোকানে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ।

মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের পাশে এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আল আমিন ও সাইফুল। তাদের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের সমর্থক মো. আলী ও ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর সমর্থক সাইফুলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর মধ্যে আলী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ কর্মী আর সাইফুল ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক। নিহত রোমান ছিলেন সাইফুল গ্রুপের কর্মী।

মিরপুর মডেল থানার এসআই আবু সাঈদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ফুটপাতের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে রোমান নিহত হয়েছে। আলীর নির্দেশে আনসার, সুমন, লিমন, পিচ্চি সুমনসহ আরও কয়েকজন তাকে হত্যা করে। ­মিরপুর মডেল থানার ওসি দাদন ফকির জানান, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।