মোস্তাফিজ-উদানায় ১১৭ রানে থামল খুলনা

ভালো শুরুর আভাস দিয়েও পারলেন না দুই ওপেনার পল স্টার্লিং ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। ব্যর্থ হলো খুলনা টাইটান্সের মিডল অর্ডার ও লোয়ার মিডল অর্ডারও। বিপরীতে দারুণ বোলিং করে গেলেন রাজাশহী কিংসের ইসুরু উদানা, মোস্তাফিজুর রহমানরা। ফলে কোনো রকম লড়ার পুঁজি গড়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো খুলনাকে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বুধবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯ উইকেটে ১১৭ রানে থেমেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা। মেহেদী হাসান মিরাজের রাজশাহীর পক্ষে ৩ উইকেট শিকার করেন শ্রীলঙ্কান পেসার উদানা। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান ব্যয় করেন তিনি। ৪ ওভারে ১৮ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

জুনায়েদ সিদ্দিকী ও পল স্টার্লিংয়ের শুরুটা খারাপ ছিল না। প্রথম ৪ ওভারে ৩৩ রান যোগ করেন দুজন। কিন্তু পর পর দুই ওভারে এই দুজন বিদায়ের পরই পথ হারা খুলনা। ১৬ রান করা স্টার্লিংকে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ১৪ বলের ইনিংসে একটি করে চার ও ছক্কা হাঁকান তিনি। উদানার বলে ফেরার আগে ১৮ বলে ৪ চারে করেন ২৩ রান জুনায়েদ।

তিন নম্বরে খেলতে নেমে জহুরুল ইসলাম অমি স্থায়ী হতে পারেননি। মাত্র ১ রান করে আরাফাত সানির শিকার হন তিনি। মাহমুদউল্লাহ থিতু হতে লড়ছিলেন। কিন্তু ১৮ বলে ১১ রান করে তিনি এলবিডব্লিউ হন মোস্তাফিজের বলে। ফলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারায় খুলনা।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে আরিফুল হক ও ডেভিড মালান মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করছিলেন। ভালোই খেলছিলেন দুজন। কিন্তু ১২ রান করা আরিফুলকে লুইসের হাতে ক্যাচ বানান আফগান লেগি কায়েস আহমেদ। দুজনের জুটিটা তাই ২৮ রানের বেশি হয় না। মালানও ফেরেন ২২ রান করে। সৌম্য সরকারের বলে লুইসের হাতে ক্যাচ হন তিনি।

এরপর ১৪ রান করা ডেভিড উইসেকে ফেরান উদানা। শরিফুল রান আউটের শিকার হন। আর শেষ বলে শুভাশিসের উইকেট তুলে নেন উদানা।

আসরে দুই ম্যাচ খেলে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি খুলনা। অন্যদিকে প্রথম জয়ের সন্ধানে এক ম্যাচ খেলা রাজশাহীও।