মধুমতী নদীর ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সীমান্ত রেখায় অবৈধভাবে চলছে ইটভাটা। ফসলি জমিতে কম উচ্চতার টিনের তৈরি ড্রাম চিমনি দিয়ে ইট পোড়াচ্ছে ভাটাগুলো। এসব ভাটার কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। দুই জেলার সীমান্তে হওয়ায় কোনো জেলা প্রশাসন থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মধুমতী নদীর পূর্ব পারে বোয়ালমারী উপজেলা ঘেঁষে মহম্মদপুর উপজেলার রুইজানি মৌজার ফসলি জমিতে মেসার্স নদী ব্রিকস ও এসটিসি ব্রিকস ও জাঙ্গালিয়া মৌজায় শরীফ ব্রিকসে ইট পোড়ানো হচ্ছে। এলাকায় আরও কয়েকটি ভাটা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ভাটাগুলোতে টিনের তৈরি ড্রাম চিমনি ও কাঠ ব্যবহার করে ইট পোড়ানো হচ্ছে, আর ইট তৈরির মাটি বে-আইনিভাবে নেওয়া হচ্ছে মধুমতি নদী থেকে। অথচ আইনে বলা হয়েছেÑ লাইসেন্স ছাড়া ইটভাটা করা যাবে না।
নদী ব্রিকসের অংশীদার মিনহাজুল ইসলাম বলেন, নতুন শুরু করেছি। অস্থায়ী ভিত্তিতে ইট পোড়ানোর কাজ করছি। ভবিষ্যতে সব নিয়মকানুন মেনে পরিবেশবান্ধব ভাটা করব। আমরা বিভিন্ন জায়গা ম্যানেজ করে আপাতত কাজ চালাচ্ছি।
শরীফ ব্রিকসের অংশীদার শরীফুল ইসলাম জানান, এই মুহূর্তে আমাদের ভাটার কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র বা জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স নেই। ভবিষ্যতে সবকিছুই পাকাপোক্তভাবে করব। এসটিসি ব্রিকসের মালিক জাফর মোল্লা জানান, আমাদের কোনো অনুমতি নেই। ভবিষ্যতে অনুমতির জন্য আবেদন করব।