রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় গুলশানে এ কে এম সালাউদ্দিন (৪০) ও কামরাঙ্গিরচরে হানিফ হাওলাদার (৩৫) নামের এক ব্যাক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
রোববার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
খুলনার খালিশপুর উপজেলার আইয়ুব আলীর সন্তান সালাউদ্দিন। চাকরি করতেন গুলশান ৯৫ নম্বর রোডের হোটেল সেন্টার পয়েন্টে। থাকতেন ওই হোটেলেই।
গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জয়নুল আবেদীন শনিবার দিবাগত রাত দেড়টায় ওই হোটেলর ৪র্থ তলার সালাউদ্দিনের রুমের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেন। পরে লাশটি মর্গে পাঠান।
লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে তিনি জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সালাউদ্দিন।
খালাতো ভাই শেখ মো. কামাল হোসেন জানান, গুলশানের হোটেল সেন্টার পয়েন্ট রিসিপশনিস্ট হিসেবে চাকরি করতেন সালাউদ্দিন। ২ বছর আগে সৌদি প্রবাসি থাকতে মামাতো ভাই মিরাজের বউ পুতুলের সাথে তার ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে দেশে এসে তিনি ২ সন্তানের জননী পুতুলকে বিয়ে করেন। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আজই তার মৃত্যুর বিষয়টা জানতে পেরেছি। আর পুলিশের কাছ থেকে এটাও জানতে পেরেছি যে গত ২ মাস আগেই পুতুলের সাথে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে।
এদিকে কামরাঙ্গিরচর ঝাউলাহাটির একটি বাসায় ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন হানিফ। পরে দেখতে পেয়ে স্ত্রী রিনা আক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে চিকিৎসক সকাল ১০টায় মৃত ঘোষণা করেন।
টেইলার্স কর্মচারী মো. আলাল জানান, ঝাউলাহাটিতে হানিফের নিজস্ব টেইলার্সের দোকান রয়েছে। বাসা ঝাউলাহাটি চৌরাস্তা ২নং গলিতে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গলায় ফাঁস দেন তিনি। ২ সন্তানের জনক ছিলেন হানিফ।